মুচিপাড়া-কাণ্ডে জামিনে মুক্ত বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে পাশে নিয়ে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
মুচিপাড়া-কাণ্ডে বিজেপি নেতা সজল ঘোষে্র জামিন মঞ্জুর করল আদালত। শর্ত সাপেক্ষে তাঁর জামিনের পর বিজেপি তাঁকে নিয়ে শুধু উচ্ছ্বসিত নয়, সটান তাঁর বাড়িতে হাজির হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুচিপাড়া-কাণ্ডে বিজেপি নেতা সজল ঘোষে্র জামিন মঞ্জুর করল আদালত। শর্ত সাপেক্ষে তাঁর জামিনের পর বিজেপি তাঁকে নিয়ে শুধু উচ্ছ্বসিত নয়, সটান তাঁর বাড়িতে হাজির হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজ্যের পুলিশ ৪৮ ঘণ্টাও আটকে রাখতে পারল না সজলকে। গণতন্ত্রের জয় হল অবশেষে।

শুভেন্দু অধিকারীও এদিন গ্রেফতার বরণ করেন। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি ঘিকে রানি রাসমণি রোড ও মেয়ো রোডে ধুন্ধুমার-কাণ্ড ঘটে যায়। দিলীপ ঘোষ-শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপির এক ঝাঁক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। দিলীপ-শুভেন্দুদের লালবাজারে এনে তারপর ছেড়ে দেওয়া হয়। মুক্তি পেয়েই শুভেন্দু ছোটেন সজল ঘোষের বাড়ি।
বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এদিনই মুচিপাড়া-কাণ্ডে জামিন পেয়েছেন। তারপরই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে যান। সজল ঘোষকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ ৪৮ ঘণ্টাও আটকে রাখতে পারল না সজলকে। সজল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি ফিরে এল।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন সজলের জামিনে মুক্ত হয়ে ফিরে আসাকে গণতন্ত্রের জয় বলে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর কথায়, এদিন আবার প্রমাণিত হল গণতন্ত্রের মূল সম্ভ হল বিচারব্যবস্থা। আজ আমরা বিচার পেয়েছি। আইনজীবীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে ফিরিয়ে এনেছেন আমাদের দলের নেতাকে। তাঁরা প্রমাণ করে দিয়েছ এটা সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনা। এই ঘটনায় সজল ঘোষের কোনও যোগসূত্র নেই।
শুভেন্দু বলেন, এটা লজ্জা যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ বাড়িতে দরজা ভেঙে ঢুকে সজল ঘোষকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। মস্তানি দেখিয়ে মুচিপাড়ার পুলিশ কোনও নোটিস না দিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় সজল ঘোষকে। তৃণমূলের দলদাস পুলিশ চিত্রনাট্য সাজিয়ে সজলকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তাদের মুখোশ খুলে পড়ল এদিন। বিচারব্যবস্থা দিদির পুলিশের মুখোশ খুলে দিল। সজলের লড়াইয়ে বিজেপি গর্বিত বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন নিজের গ্রেফতারি নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য কোনও বিরোধী দলনেতা গ্রেফতার হয়েছে, এমন ঘটনা স্বাধীনতা পর ঘটেনি। এই ঘটনা প্রমাণ করে সরকার ককতটা নিচে নেমে গিয়েছে। রাজ্যে সরকারের অধঃপতন হয়েছে বলেই একজন বিরোধী দলনেতাকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য গ্রেফতার হতে হয়। আমরা এত তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ধিক্কার জানাই।












Click it and Unblock the Notifications