ভবানীপুর আসন কেন নিরাপদ নয় মমতার তৃণমূলের? ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু
ভবানীপুর থেকেই আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরের বিজয়া সম্মিলনীতে তেমনই আভাস দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।
এই কেন্দ্র থেকে ১ লক্ষের বেশি ভোটে মমতাকে জেতানোর শপথ নিয়েছেন কলকাতার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যদিও তাতেও উদ্বেগ কাটছে না তৃণমূল কংগ্রেসের। তারই মধ্যে বড় দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ভবানীপুরের বিজয়া সম্মিলনীতে ভার্চুয়ালি বক্তব্য পেশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা এই কেন্দ্রের বিধায়ক মমতা। সেখানেই তিনি বলেন, বস্তিগুলি ভেঙে বড় বাড়ি হচ্ছে। এটা সমর্থন করি না। পরিকল্পনা করে ধীরে ধীরে ভবানীপুর বহিরাগতদের দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মমতার এই বক্তব্য নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতিতে।
আজ বাগডোগরা বিমানবন্দরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর দলের কাছে নিরাপদ কখনোই নয়। এখানে ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটার। তার মধ্যে চেতলার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ হাজার ভোটে লিড পেলেও গত বছর লোকসভা ভোটে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে তৃণমূল এগিয়ে ছিল ৭,৮০০ ভোটে। বিজেপি আটটির মধ্যে পাঁচটি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল। এসআইআর হয়ে বাংলাদেশি মুসলিমদের নাম বাদ পড়লে ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডেও জিততে পারবে না তৃণমূল। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে কলকাতা দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় ভবানীপুরে লিড পেয়েছিলেন। ফলে এটা বিজেপিরই সিট। বিজেপির যিনি দাঁড়াবেন তিনিই জিতবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারবেন না।
উত্তরবঙ্গে নদী ভাঙন রুখতে ম্যানগ্রোভ বসানোর যে তত্ত্ব মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন তা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, উনি মূর্খ। তাঁর এই ধরনের কথায় ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষালাভে ক্ষতি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে মুখ্যমন্ত্রী কিছু করেননি। পাহাড়ের মানুষের জন্য পানীয় জল থেকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিপজ্জনক রাস্তাগুলি নিয়ে আগামীর পরিকল্পনা-সহ যা যা রাজধর্ম পালনের কথা ছিল উনি তা নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা নেই। মিরিকে সাজানো ত্রাণশিবিরে গিয়েছিলেন। উনি পাহাড়ে বেড়াতে এসেছেন। আর ভোটের আগে তৎপরতা দেখাতে এসেছেন। ওঁর ভোটব্যাঙ্ক মুসলিমরা। ফলে উত্তরবঙ্গে এসে তাঁর লাভ হবে না। পাহাড়ের মানুষ খুব অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। রাস্তাগুলিও খুব বিপজ্জনক পাহাড়ের মানুষ ও পর্যটকদের জন্য। যাঁরা ঘর হারিয়েছেন তাঁদের ২ কাঠা করে জমি দেওয়া উচিত। ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় টিন, কাঠের বাড়ি হয় না। ৫ লক্ষ টাকা করে সরকারের দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য শুভেন্দুর।












Click it and Unblock the Notifications