ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তকে চ্যালেঞ্জ, মমতার সরকারের আবেদন নিয়ে 'বড়' পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছিল। যা নিয়ে আপত্তি ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের। হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে রাজ্য সরকার।
এদিন বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ ও অরবিন্দ কুমারের বেঞ্চ রাজ্যের দায়ের করা স্পেশাল লিভ পিটিশনের অনুমতি দিয়েছে। এব্যাপারে সিবিআই-এর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

কপিল সিবালের সওয়াল
এদিন রাজ্যে তরফে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন প্রবীন আইনজীবী কপিল সিবাল। তিনি বলেন, এনএইচআরসির রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্তের ভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করার কথা জানান। তিনি বলেন, সেই নির্দেশ ছিল পক্ষপাতমূলক।
কী বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন থেকে রাজ্যের বিভিমন্ন অংশে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির তরফে ব্যাপক হিংসা ও অস্থিতার অভিযোগ করা হয়। ঘরছাড়ারা ঘরে ফেরার অধিকার থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ করে হাইকোর্টে মামলা হয়। কলকাতা হাইকোর্ট এব্যাপারে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়।
কী বলেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
- পরবর্তী সময়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট দাখিল করে। যেখানে শাসকদলের বিরুদ্ধে আইনের শাসনের পরিবর্তে শাসকের আইন চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে বলে হত্যা-ধর্ষণ-সহ গুরুতর অপরাধগুলি সিবিআই-এর তরন্ত করা উচিত। পাশাপাশি নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে রাজ্যের বাইরে বিচার করার সুপারিশও করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এরপর ২০২১-এর ১৯ অগাস্ট হাইকোর্ট এই মামলার তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেয়।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশ্ন
পশ্চিমবঙ্গ সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের নিরপেক্ষতা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে চলা এই ধরনের মামলার ওপরে স্থগিতাদেশ দেয়। সাক্ষীদের ভয় দেখানে্া ও ন্যায় বিচারের পথে হুমকির কারণে মামলাগুলিকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে স্থানান্তর করতে সিবিআই-এর দায়ের করা একটি স্থানান্তর আবেদনের প্রতিক্রিয়া এই আদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications