নজর বিজেপির 'ভোট-ব্যাঙ্ক'-এর উপর! মমতার রিপোর্ট কার্ডে মন গলবে জঙ্গলমহলের?
জঙ্গলমহলে ক্রমেই নিজেদের শক্তি হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একসময় মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় ২০১৯ লোকসভায় আরও জমি হারিয়েছে তৃণণূল কংগ্রেস। তবে ছত্রধর মাহাতোর হাত ধরে সেই হারানো জমি ফিরে পেতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতি এদিন প্রকাশিত হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিগত ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড। সেখানেই তপশিলি জাতির জন্যে করা সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

রিপোর্ট কার্ড নয়, এটা শ্বেতপত্র
এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের রিপোর্ট কার্ড সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, 'রিপোর্ট কার্ড নয়, এটা শ্বেতপত্র। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিয়মিত ভাবে এই রকম পুস্তিকা প্রকাশ করেছি। আগামী দিনের নির্বাচনী দামামা বাজলে আমাদের লক্ষ্য থাকবে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিয়ে পরবর্তীর রূপরেখা তৈরি করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কতটা কাজ করেছেন তার প্রমাণ এটা।'

দশ বছরে বাজেট বেড়েছে দুই গুণ
তিনি আরও বলেন, 'এই বাংলায় সবার ধারণা রয়েছে যে তপশিলি জাতির জন্য কত কাজ করে সরকার। রিপোর্টে বলছে তাঁদের জন্য গত দশ বছরে বাজেট বেড়েছে দুই গুণ। এদিকে বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে কোনও আলোচনা হয় না সংসদে। তবে ১০০ দিনের কাজের নিরিখে আমরা সব রাজ্যের থেকে এঘিয়ে।'

আদিবাসী সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়ন
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকার আদিবাসী উন্নয়ন দফতর গঠন করে। ছয়টি সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তপশিলি উপজাতির মধ্যে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা ষাট বা ষাটোর্ধ প্রবীণদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা দেওয়া হয়।'

আমাদের মুখ্যমন্ত্রী দেশের মধ্যে ১ নম্বরে
এদিন সুদীপবাবু আরও দাবি করেন, '১.৩১ কোটি মহিলাকে কর্মসংস্থান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৭৮.৭৫ লক্ষ তপশিলি জাতির মানুষ কাজ করেন ১০০ দিনের প্রকল্পে। ছোটো মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কারখানা বেড়েছে। ২০২০ সালে দাঁড়িয়ে মোট কারখানার সংখ্যা ৯৫৩৪। গত দশ বছরের নিরিখে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী দেশের মধ্যে ১ নম্বরে। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক এগিয়ে।'

বেকারত্ব ইস্যুতে কী বলেন সুদীপ
বেকারত্ব ইস্যুতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'সরকার চালু করেছে কর্মভূমি, কর্মসাথী, স্বামী বিবেকানন্দ প্রকল্প। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিনিয়ত মানুষের জন্যে ভাবছেন। বেকার যুবকদের মুখে হাসি ফোটাতে চাইছে রাজ্য সরকার। বাংলার গর্ব মমতা। স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে জন জোয়ার। স্বাস্থ্যই সম্পদ, এই কর্মসূচির মাধ্যমে এই বচন বাস্তবায়িত হচ্ছে।'












Click it and Unblock the Notifications