India
  • search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

সংবিধান বিরোধী সিএএ-এনআরসির লক্ষ্য ধর্মীয় মেরুকরনই, গর্জে উঠল ছাত্রসমাজ

  • |
Google Oneindia Bengali News

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জি সংবিধান বিরোধী, গরিব-বিরোধী এবং ধর্মীয় মেরুকরনের লক্ষ্যেই তৈরি। এই আইন ত্রুটিযুক্ত এবং অসাংবিধানিক বলে মনে করেন দেশের ছাত্রসমাজ। অন্যদিকে শিক্ষাখাতে খরচ কমিয়ে এনপিআর ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরকে ধিক্কার জানায় ছাত্রসমাজ।

সিএএ-এনআরসির লক্ষ্য ধর্মীয় মেরুকরনই, গর্জে উঠল ছাত্রসমাজ

অভিযোগ, ভারতীয় সংবিধানের ৫,১০,১৪ ও ১৫ নম্বর ধারাতে উল্লেখিত সমস্ত ভারতবাসীর নাগরিকত্ব ও সমানাধিকারকে অবজ্ঞা করে দেশের লোকসভা ও রাজ্যসভায় চরম বিরোধিতা সত্ত্বেও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস করানো হয়েছে। এই নতুন আইনে ধর্মের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের অ-মুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ উদ্যোগে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন(CAA) ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জির(NRC) বিরুদ্ধে কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলার রানী রাসমণি এভিনিউ পর্যন্ত একটি বিশাল বিক্ষোভ পদযাত্রা করা হয়। পদযাত্রা শেষে একটি অবস্থান বিক্ষোভও করা হয়। এই অবস্থান বিক্ষোভে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

তাদের কথায়, ছাত্র সমাজ মনে করে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে ও অর্থনৈতিক মন্দার হাল ফেরাতে ব্যর্থ সরকার সাধারণ মানুষের মনোযোগ ঘোরাতে এবং ধর্মীয় মেরুকরন করতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ব্যাবহার করতে চাইছে। NRC ও NPR এর নামে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি দেশের অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় চরম আঘাত হানবে বলে মনে করে তারা।উত্তরপ্রদেশে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারীদের উপর রাষ্ট্রীয় গণহত্যা এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের 'বদলা' নেওয়ার মানসিকতাকে আজকের সমাবেশ থেকে তীব্রভাবে ধিক্কার জানান হয় ।

সিএএ-এনআরসির লক্ষ্য ধর্মীয় মেরুকরনই, গর্জে উঠল ছাত্রসমাজ

সংবাদমাধ্যমে পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত পুলিশি অত্যাচারে ৩০ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছে। এছাড়া কমপক্ষে ১৫০০ জন আহত হয়েছেন এবং ১৫০০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পুলিশি আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানানো হয় এই সমাবেশ থেকে।পোশাক দেখে প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলনকারীদের চেনার মন্তব্যের জন্য দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হুমকির সম্মুখীন বলে মনে করেন ছাত্র সমাজ।

সরকার অবিলম্বে এই আইন বাতিল না করলে লাগাতার ছাত্র আন্দোলন চলতে থাকবে বলে ঘোষণা করে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিরা।

এই সমাবেশে ঘোষিত দাবি সমূহ

১.অবিলম্বে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিল করতে হবে।
২.সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি তালিকা তৈরীর পরিকল্পনা বন্ধ করতে হবে।
৩. উত্তরপ্রদেশ জুড়ে সাধারন মানুষের উপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।
৪.সারা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন সহ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি আক্রমণে জড়িত সমস্ত পুলিশকে বরখাস্ত করতে হবে।
৫.আন্দোলনে গ্রেপ্তার হওয়া সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং সমস্ত আন্দোলনকারীকে নিঃশর্তভাবে মুক্তি দিতে হবে।
৬।কোন রকম ধর্মীয় বৈষম্য ছাড়ায় যে কোনো শরণার্থীকে দেশের সংবিধান মেনে সরলীকরণ ভাবে নাগরিকত্ব দিতে হবে।

English summary
Students protest CAA and NRC create to do religious polarization.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X