• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অমিত-শলায় শান মুকুলের! মমতার রাজ্যের ভোট-লড়াই রাষ্ট্রপতির দরবারে

পঞ্চায়েতের যুদ্ধকে দিল্লির দরবার পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেল বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার সাত সকালে মুকুল রায়, রাহুল সিনহা-সহ বেশ কয়েকজন নেতা পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা নিয়ে প্রথমে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে। এরপর তাঁরা উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলে বিভিন্ন জেলা থেকে আক্রান্ত প্রায় ৩০ জন কর্মীও ছিলেন।

অমিত-শলায় শান মুকুলের! মমতার রাজ্যের ভোট-লড়াই রাষ্ট্রপতির দরবারে

মঙ্গলবার কলকাতা থেকে রওনা হন মুকুল রায়, রাহুল সিনহারা। আর বৃহস্পতিবার সাত সকালেই কেন্দ্রের কাছে দরবার। ছিল রাজ্যে সন্ত্রাসের একাধিক ছবি। নেতারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে কর্মীরা বাইরেই ছিলেন।

জানা গিয়েছে, এই কাজের মূল উদ্যোক্তা বিজেপির 'চাণক্য' সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তিনিই বঙ্গ বিজেপিকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যে পঞ্চায়েতে মনোনয়ন বিতর্ককে দিল্লির দরবার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে।

রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব থেকেই অশান্তি-হিংসা লেগে রয়েছে। বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। এমনকী মনোনয়নের বাড়তি দিন ধার্য করেও বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেননি। শাসকের সন্ত্রাসে আহত হয়েছেন নেতা-নেত্রী, কর্মী সমর্থকরা। ভোট-রাজনীতির বলি হয়েছেন অনেক কর্মী। এই খতিয়ান আর মনোনয়নে ব্যর্থ দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দরবারে নিয়ে যেতে পরামর্শ অমিত শাহের। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির দরবারে নিয়ে গিয়ে বঙ্গ বিজেপি বুঝিয়ে দিতে চাইছে, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য ২০১৯। তার আগে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সন্ত্রাসকে তাঁরা হাতিয়ার করতে চাইছে।

English summary
State BJP leaders goes to Delhi to take the election controversy of WB to Modi's court
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more