সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে যোগ্য এসএসসি পরীক্ষার্থীরা, রাজ্যকে কী বলল শীর্ষ আদালত?

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে এক রায়ে 'যোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে। আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত পরীক্ষা পিছানোর বিষয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে শীর্ষ আদালত বিবেচনা করবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে স্কুলে কর্মরত থাকা এই প্রার্থীরা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পড়াতে পারবেন, যার ফলে নতুন করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছিল।

বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ এদিন বৃহস্পতিবার এই আবেদন বিবেচনা করে জানান, রাজ্য সরকার যদি পরীক্ষা পিছানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে শীর্ষ আদালত তাতে সম্মতি দেবে। এছাড়া, কর্মরত শিক্ষকদের ফর্ম পূরণের জন্য অতিরিক্ত সাত দিন সময়ও মঞ্জুর করা হয়েছে। বিচারপতিদের এই মন্তব্যে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে 'প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি’ আখ্যা দিয়ে গত এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্ট গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয়। এর ফলস্বরূপ প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী রাতারাতি চাকরি হারান। শীর্ষ আদালত নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে তাদের নিয়োগের নির্দেশ দেয়।

রাজ্য সরকার সেই অনুযায়ী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার দিন ধার্য করে। তবে, রাজ্য সরকারের অনুরোধে 'যোগ্য শিক্ষকদের’ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত স্কুলে পড়ানো চালিয়ে যেতে হচ্ছে। এর মধ্যেই সেপ্টেম্বরের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে 'যোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীরা পরীক্ষা পিছানোর আবেদন জানান। তাঁদের যুক্তি ছিল, প্রতিদিন স্কুলে পড়াতে গিয়ে প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। একইসঙ্গে তাঁরা আবেদন করেন, ২০১৬ সালের মতো এবারও স্নাতক স্তরে ৪৫ শতাংশ নম্বর প্রাপ্ত কর্মরত শিক্ষকদের নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হোক।

এই আবেদনের কারণ হল, এনসিইআরটি-র নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ৫০ শতাংশ নম্বর না থাকলে এই পরীক্ষায় বসা যাবে না। সরকারের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে এই শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। তাই যোগ্য প্রার্থীদের দাবি, ৫০ শতাংশ নয়, ৪৫ শতাংশ নম্বর প্রাপ্তদেরও পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হোক।

এদিন শুনানিতে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিচারপতিদ্বয় স্পষ্ট বলেন, কোনওভাবেই কোনও অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। যাঁরা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুলে পড়াচ্ছেন যোগ্য হিসেবে, তাঁদের সবাইকে পরীক্ষার অনুমোদন দিতে হবে। রাজ্য সরকার চাইলে পরীক্ষার দিনক্ষণ পিছোতে পারে।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+