• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি! তা আবার ফেসবুকে পোস্ট, এও সম্ভব! নেট দুনিয়ায় ভাইরাল ছবি

    নেট দুনিয়ায় কি না হয়, সোশাল মিডিয়ার মোহে শোকতাপ সব 'গুডবাই'। এখন শুধু সেলফি আর ফেসবুক। এই নিয়েই যেন চলছে জগৎ। তেমনই এক খণ্ড চিত্র ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের বুকে। যেখানে মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে নেট-দুনিয়ায় পোস্ট করল ছেলে। ঘাটাল-দাসপুরের ধরমা গ্রামের সেই ছবি এখন ভাইরাল।

    মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট! এও সম্ভব

    ঘটনাটি ঘটে বুধবার। সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় প্রৌঢ়া গীতা জানার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্য়উর পরই তিনি ছেলে তিন মেয়ে হাজির হন মায়ের মৃত্যু সংবাদ। ছোট ছেলে গণেশ জানা সোনার কাজে ভিনরাজ্যে থাকেন। তিনিও চলে আসেন মায়ের মৃত্যুসংবাদ শুনে।

    যখন গণেশ এসে হাজির হন, তখন মায়ের দেহ শ্মশানে। শোতসন্তপ্ত গণেশের আক্ষেপ মায়ের সঙ্গে তাঁর একটা ছবিও নেই। তাই মৃত মায়ের সঙ্গে তিনি সেলফি তোলেন। তারপরই তিনি সেই ছবি পোস্ট করেন ফেসবুকে। তা নিয়েই ঝড় বয়ে যায় সমালোচনার। সোশাল মিডিয়াতেও সমালোচিত হন গণেশ জানা।

    গণেশবাবু বলছেন, আমি বাইরে থাকি। মায়ের সঙ্গে স্মৃতি ধরে রাখতেই আমি সেলফি তুলেছি। এটাই আমার কাছে স্মৃতি হয়ে থাকবে। আমি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই সেলফি তুলতে চাইনি। ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলেন কেন? তাঁর উত্তরে গণেশ জানা বলেন, এটা আমার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ছাড়া আর কিছু নয়।

    English summary
    Son lifted Selfi with his dead mother and he posted this picture on Facebook. This picture has been viral now in internet.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more