• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    রাগ চড়ে গিয়েছিল মাথায়, কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে মাকে খুন করল ছেলে! নৃশংসকাণ্ড

    নৃশংস। ছেলের হাতে নির্মমভাবে খুন হলেন মা। নিছকই পারিবারিক অশান্তির জেরে ঘটে গেল রক্তারক্তি-কাণ্ড। বুধবার ভোররাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম হীরা মুনি মুর্মু। বছর ৫৫-র ওই মহিলাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।

    রাগ চড়ে গিয়েছিল মাথায়, কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে মাকে খুন করল ছেলে! নৃশংসকাণ্ড

    বেশ কিছুদিন ধরেই সংসারে অশান্তি লেগেছিল। রাতবিরেতে মা-ছেলেতে বিবাদ শুরু হয়ে যেতে। তেমনই বুধবার ভোরে শুরু হয় অশান্তি। মঙ্গলবার রাত থেকেই চলছিল অশান্তি। তার জেরেই বুধবার ভোর থেকে বিবাদের সূত্রপাত। তখনই রাগের মাথায় মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করে ছেলে।

    [আরও পড়ুন:মেয়ের নামে নালিশ! মাথায় রাগ উঠে গিয়েছিল, শেষে মায়ের হাতেই করুণ পরিণতি]

    এতবড় ঘটনার পরও নির্লিপ্ত তরুণ। মাকে কুপিয়ে খুন করে অভিযুক্ত ছেলে গোরাচাঁদ মুর্মু ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে বসেছিল। সকালে গ্রামবাসীরা দরজা ভেঙে গোরাচ্ঁদকে বের করে। মায়ের দেহ পড়ে রয়েছে, রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘরের মেঝে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।

    [আরও পড়ুন: মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে তুলে আছাড় ১১ মাসের শিশুকে, মর্মান্তিক-কাণ্ড গোপালনগরে ]

    পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করে মৃতদেহ। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মায়ের দেহ। ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এদিনই তাকে আদালেত পেশ করা হয়। মেদিনীপুরে হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মায়ের দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে এই খুনের পিছনে কী কারণ রয়েছে।

    [আরও পড়ুন:মাঝরাতে হিসারের ফুটপাথে ঘুমন্ত পাঁচজনকে পিষে মারল গাড়ি ]

    English summary
    Son murdered his mother with axe in West Midnapur. Accused person is beaten and arrested by police.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more