• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    বর্ধমানে বিস্ফোরণের পিছনে জঙ্গি-যোগই, নিশ্চিত হলেন গোয়েন্দারা

    • By Ananya Pratim
    • |
    বর্ধমান
    কলকাতা, ৫ অক্টোবর: একদম গোড়াতেই সন্দেহ হয়েছিল যে, বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে জঙ্গি-যোগ রয়েছে। সেই ব্যাপারই ক্রমশ পোক্ত হল। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই চমকিত হচ্ছেন গোয়েন্দারা। আপাত শান্ত বর্ধমানে বসে যারা বোমা বানাচ্ছিল, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের। ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, আল জিহাদ ও সিমি (স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া) তো বটেই, এমনকী আল কায়েদার সমর্থনে নথিপত্র মিলেছে। পুলিশি পরিভাষায় একে বলা হয় 'মাল্টিপল লিঙ্কস'। জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই মহিলাকে। এদের নাম যথাক্রমে আমিনা বিবি ও রাজেরা বিবি ওরফে রুমি বিবি।

    আরও পড়ুন: বর্ধমানে বিস্ফোরণে মৃত দুই, জঙ্গি-যোগ সন্দেহে তদন্তে এনআইএ

    দুর্গা পুজোর অষ্টমীর দিন দুপুরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে একটি বাড়িতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয়েছিল। ঘটনাস্থলেই মারা যায় শামিম আহমেদ ওরফে শাকিল এবং শোভন মণ্ডল। আর এক ব্যক্তি হাসান সাবাহের শরীর ৮০ শতাংশের বেশি পুড়ে যায়। সে এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশি তল্লাশিতে বাড়িটি থেকে ডিটোনেটর, মোবাইলের সিম কার্ড, বারুদভর্তি অ্যালুমিনিয়াম পাইপ ইত্যাদি উদ্ধার হয়।

    এ ছাড়া, পাওয়া গিয়েছে কিছু কাগজপত্র। সেখানে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের নাম রয়েছে। আবু হাফস নামে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের জনৈক কমান্ডার জেহাদে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মুসলিম যুবকদের।  বোমার আগুনে যে নথিগুলি আধপোড়া হয়ে গিয়েছে, তা থেকে পাওয়া গিয়েছে আয়মান আল-জাওয়াহিরির নাম। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে জাওয়াহিরি ভারতে আল কায়েদার শাখা খোলার কথা ঘোষণা করেছিলেন। বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতরা সেই পরিকল্পনায় শামিল ছিল কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়। তালিবান জঙ্গিরা কীভাবে ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ দেয়, তার একটি ভিডিও টেপ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেখানে মহিলাদেরও জেহাদে শামিল হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের উদ্ধৃত করে টিভি চ্যানেল 'টাইমস নাও' দাবি করেছে, দুর্গা পুজোর সময় কলকাতায় বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা আঁটছিল জঙ্গিরা।

    আধপোড়া নথি থেকে মিলল আল কায়েদা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির নাম

    এতদিন দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন সময় কলকাতায় এসে লুকিয়ে থেকেছে জঙ্গিরা। ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে। এ বার বর্ধমানে সন্ত্রাসবাদীরা ডালপালা ছড়ানোয় তা চিন্তার বিষয় বৈকি! অর্থাৎ রাজ্যের ছোট শহরগুলিতেও আস্তানা গাড়তে শুরু করেছে জঙ্গিরা। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তাই বর্ধমান বিস্ফোরণের তদন্তে ইতিমধ্যে শামিল হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ বা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। যদিও এনআইএ, আইবি ইত্যাদি কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দারা অভিযোগ করেছেন, বর্ধমান জেলা পুলিশ তদন্তে সহায়তা করছে না। বিস্ফোরণে মৃত শামিম আহমেদের স্ত্রী রাজেরা ওরফে রুমি বিবি এবং জখম হাসান সাবাহের স্ত্রী আমিনা বিবিকে কেন জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকা, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে শামিল থাকা ইত্যাদি ধারায় মামলা দেওয়া হল না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, এদের অপেক্ষাকৃত লঘু ধারায় পুলিশ মামলা দিয়েছে বলে খবর।

    প্রশ্ন হল, তা হলে কি পশ্চিমবঙ্গেই বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন ও আল কায়েদা? নাকি বর্ধমানকে ঘাঁটি করে ভারতের অন্য কোথাও নাশকতা চালানোর ছক ছিল? তিন মাস ধরে তারা ওই বাড়িতে বসবাস করলেও কেন সন্ধান পেল না পুলিশ? শীঘ্রই প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া যাবে বলে মনে করছে এনআইএ।

    English summary
    Sleuths confirm terrorist link behind Bardhaman blast
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more