• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

হাতিকে স্যালুট ঠুকে মৃত্যু, এগিয়ে দেন সহকর্মীরাই, চাঞ্চল্যকর দাবি পরিবারের

ডুয়ার্সে হাতিকে স্যালুট ঠুকতে গিয়ে সমবায় ব্যাঙ্কের নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর দাবি পরিবারের। সিদ্দিক রহমানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন তাঁর সহকর্মীরাই। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।

হাতিকে স্যালুট ঠুকে মৃত্যু, এগিয়ে দেন সহকর্মীরাই, চাঞ্চল্যকর দাবি পরিবারের

জলপাইগুড়ি জেলার চালহাটির বাসিন্দা বছর ৫০-এর সিদ্দিক রহমান। তিন মেয়ে, স্ত্রী আর বৃদ্ধা মাকে নিয়ে সংসার। এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। আর সংসারের একমাত্র রোজগেরে তিনিই। আর বন্য হাতিকে স্যালুট ঠুকতে গিয়ে মৃত্যু সম্প্রতি মৃত্যু হয়েছে তাঁরই। পরিবারের একমাত্র রোজগেরেকে হারিয়ে অথৈ জলে পরিবার। পরিবারের অভিযোগ সহকর্মীরাই সিদ্দিককে হাতির সামনে ঠেলে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছে পরিবার।

পরিবারের দাবি, যাত্রা পথে হাতি নিয়ে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিলেন সহকর্মীরা। তাঁরাই বলেন, বন্দুক দেখলে হাতি ভয়ে পালাবে। সেই কথা মত রাস্তায় হাতি দেখে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন সিদ্দিক রহমান। আর হাতি কাছে আসতেই স্যালুট ঠোকেন তিনি। এরপর ক্ষিপ্ত হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে যান সিদ্দিক। যদিও পরিবারের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এলাকায় এখনও রয়েছে হাতির আতঙ্কা। পরিবারের তরফে ক্ষতিপূরণের সঙ্গে মাসিক আয়ের ব্যবস্থা করার দাবি করা হয়েছে সরকারের কাছে।

এদিকে, বন্য হাতি দেখলেই, সেলফি তোলা-সহ সাধারণ জনগণের বিভিন্ন রকমের উদ্যোগ সম্পর্কে বন দফতরের তরফে সতর্কতা প্রচার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

lok-sabha-home
English summary
Siddiqui Rahman's family claims, fellow employees pushed the man to go in front of elephant in Lataguri. The man lost his life to salute a elephant few days ago.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more