• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

সীমান্তে বাড়ছে জামায়াতে ইসলামির প্রভাব, কথা বলতে দিল্লি যাবেন শমীক

  • By Ananya Pratim
  • |
শমীক
কলকাতা, ২৭ সেপ্টেম্বর: পশ্চিমবঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠন জামায়াতে ইসলামি ক্রমশ প্রভাব বাড়াতে চেষ্টা করছে। এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথের সিংয়ের সঙ্গে কথা বলতে দুর্গা পুজোর পর নয়াদিল্লি যাবেন বসিরহাট দক্ষিণের নবনির্বাচিত শমীক ভট্টাচার্য। গতকাল বিধায়ক পদে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিতে ভর করে রাজ্য বিধানসভায় পা রেখেছিলেন বিজেপির বাদল ভট্টাচার্য। তিনি অশোকনগর থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন। কিন্তু শমীকবাবু একক শক্তিতে জিতে এ বার ইতিহাস গড়েছেন। তিনি বলেছেন, বিধানসভায় একা থাকলেও বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হবেন। শমীক ভট্টাচার্যের পাশাপাশি বিধায়ক পদে শপথ নিয়েছেন চৌরঙ্গি থেকে সদ্যনির্বাচিত নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

শমীকবাবু বলেছেন, "বসিরহাটের মানুষের উন্নয়নের দাবিগুলি আমি বিধানসভায় নিশ্চয় তুলে ধরব। এটা আমার প্রাথমিক কর্তব্য। কিন্তু সীমান্তবর্তী এলাকায় জামায়াতে ইসলামি প্রভাব বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ আমি রাজনাথ সিংকে দিয়েছি। ইউপিএ সরকারের সময় থেকেই জামায়াতে ইসলামি তাদের প্রভাব বিস্তার করার কাজ শুরু করেছে। এ রাজ্যের শাসক দল এখন নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই কাজে মদত জোগাচ্ছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্প্রদায়গতভাবে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হতে বসেছে।"

English summary
Shamik Bhattacharya will talk to Centre regarding Jamaat influence in border areas
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more