• search

শহরকে নীল-সাদা করার ভাবনা এসেছে 'পিঙ্ক' থেকে, বোঝালেন মমতা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কলকাতা, ৪ মার্চ : গোটা কলকাতাকে নীল-সাদা রংয়ে মুড়ে ফেলতে চান মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাপূরণে উঠে পড়ে লেগেঠে পুরসভাও। কর মুকুবের প্রলভন দেখিয়ে নগরবাসীকে বাড়ি নীল-সাদা করানোরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের জেরে বিরোধীদের কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য তথা মুখ্যমন্ত্রীকেও। কিন্তু কেন তিনি শহরকে নীল-সাদা করতে চাইছেন সেই ভাবনার খোলসা বুধবার নিজেই করলেন।

    আরও পড়ুন : 'দিদি'র রঙে রঙ মেলাতে হবে, তাহলেই সম্পত্তি কর মুকুব!

    আরও পড়ুন : বাড়ি নীল-সাদা করানোর টাকা কি গৌরী সেন দেবেন না পুরসভা? প্রশ্ন বাড়িওয়ালাদের

    আরও পড়ুন : বাড়িতে নীল-সাদা রঙে কর মকুব, সিদ্ধান্ত কার্যকর ভোটের আগেই

    শহরকে নীল-সাদা করার ভাবনা আসলে এসেছে 'পিঙ্ক সিটি' জয়পুর থেকে। এপ্রসঙ্গে এমনই যুক্তি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার ভবানীপুরে পুরসভার এক অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, "পিঙ্ক সিটি জয়পুর ঘুরে আসার পরেই কলকাতাকে নীল-সাদা রং করার চিন্তা আমার মাথায় আসে।"

    শহরকে নীল-সাদা করার ভাবনা এসেছে 'পিঙ্ক'থেকে, বোঝালেন মমতা

    গত তিন বছর ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় পার্ক, উড়ালপুল, রাস্তার ধারের রেলিং, ট্রাফিক পুলিশ বুথ, ব্রিজ নীল সাদা রং করা শুরু হয়। এমনকী নয়া ট্যাক্সির রংও এখন নীল সাদা হতে শুরু করেছে।

    মমতার এদিনের যুক্তির প্রসঙ্গে অবশ্য বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী পিঙ্ক সিটি জয়পুরের কথা ভাবতেই পারেন, কিন্তু সে শহরের তো একটা ঐতিহাসিক কারণ আছে, তার সঙ্গে আমাদের শহর নীল-সাদা করার কী যুক্তি?"

    অন্যদিকে বিজেপির রাজ্যসভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, "আসলে কিছুই না, এটা এখন তুঘলকি চিন্তাভাবনা। চাপে পরে যুক্তি সাজাচ্ছেন মমতা। যদিও এই 'যুক্তি'-রও কোনও যুক্তি নেই।"

    English summary
    Mamata Banerjee defends idea to paint Kolkata in blue and white

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more