রক্তাক্ত স্মৃতি বুকে নিয়ে অযোধ্যায় আমন্ত্রিত কলকাতার কোঠারিরা! হাড়হিম করা ঘটনায় আজও সজল পরিবার

আগের রক্তাক্ত স্মৃতি বুকে নিয়ে অযোধ্যায় আমন্ত্রিত কলকাতার কোঠারিরা! হাড়হিম করা ঘটনায় আজও সজল পরিবার

ডাক পড়েছিল অযোধ্যায়। আর সেই ডাকে সাড়া দিয়েই কর সেবা করতে গিয়েছিলেন কোঠারি ভাইরা। আর ফেরেননি। এরপর সরযূ দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জলস্রোত। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা নিয়ে চলেছে আইনি লড়াই। সমস্ত কিছুই দেখে চলেছেন কলকাতার পুর্ণিমা কোঠারি। কলকাতার বড়বাজারের বাসিন্দা এই পরিবারে ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে সেই দুঃস্বপ্নের দিনের স্মৃতি।

রক্তাক্ত স্মৃতি

রক্তাক্ত স্মৃতি

৩০ বছর আগের রক্তাক্ত সেই স্মৃতি আজও কোঠারি পরিবার ভুলতে পারেনা। রামমন্দিরের ভূমি পুজোয় অনুষ্ঠানে কোঠারি পরিবারের সদস্য আমন্ত্রিত হতেই সেই অগ্নিগর্ভ স্মৃতি ফের উস্কে যাচ্ছে।

অপেক্ষা.. আর রাম মন্দির

অপেক্ষা.. আর রাম মন্দির

রাম মন্দির তৈরির জন্য় পরবারের দুই ভাইয়ের বলিদান আজও ভুলতে পারেনা পরিবার। এই শোকস্তব্ধ দীর্ঘ সময়ের মধ্য়েই ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট শেষমেশ রামন্দিরের শিলান্যাসের খবর আসে পরিবারে। আসে সেই শিলান্যাসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ। তার সঙ্গেই কোনও এক অজানা 'অপেক্ষা' সম্ভবত শেষ হল কোঠারি পরিবারে!

কর সেবকের জন্মস্থানের মাটি

কর সেবকের জন্মস্থানের মাটি

অযোধ্যায় যাওয়ার আগে, কোঠাারি পরিবার আরও এক উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে রাম কোঠারি ও শরদ কুমাররা জন্মেছিলেন সেই এলাকার মাটি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা অযোধ্যায় পৌঁছচ্ছেন। সেই মাটি থাকবে রামমন্দিরের নির্মাণের কাজে।

কার্তিক পূর্ণিমায় কর সেবা ও গুলি চালনা

কার্তিক পূর্ণিমায় কর সেবা ও গুলি চালনা

শরদ ও রামের সঙ্গে কলকাতা থেকে কর সেবক হিসাবে অযোধ্যার পথে রওনা হন তাঁদের বন্ধু রাজেশ। রাজেশের স্মৃতি বলছে , ৩০ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশের মুলায়ম সরকারের নির্দেশভেঙে রামমন্দিরের এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। চারিদিকে তখন পুলিশ, অন্যদিকে, হনুমানগারহিতে লোক নিয়ে জড়ো হন রাম ও শরদ। এরপর পুলিশ গুলি বর্ষণ শুরু করে। মুহূর্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত দেহ নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রাম ও শরদ। আজও সেকথা ভাবনে শিউরে ওঠেন রাজেশ। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন।

১৯৯০ এর অগ্নিগর্ভ সময়

১৯৯০ এর অগ্নিগর্ভ সময়

এদিকে, রাম ও শরদের পরিবার তখন চিন্তিত। চারিদিকের পরিস্থিতি অশান্ত তা বুঝে উঠেছে বড়বাজারের কোঠারি পরিবার। ছেলেরা বাড়ি থেকে যাত্রার সময় বাবাকে রোজ চিঠি লিখবে জানিয়ে বেরিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।সব চিঠি আসেনি, চিঠির বদলে এসেছে বাড়ির দুই ছেলের মৃত্যু সংবাদ।

 এক অগ্নিগর্ভ ইতিহাস

এক অগ্নিগর্ভ ইতিহাস

উল্লেখ্য়, ১৯৯০ সালের সেই অগ্নিগর্ভ দিনে ১৬ জনের পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়। যার তদন্তও চলেছে। সেই তদন্ত ধরে কোঠারি পরিবার 'ন্যায়' এর অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে , ৫ অগাস্ট রাজ্যে লকডাউন থাকায়, এই অযোধ্যা যাত্রা নিয়ে মমতা সরকারের ওপর ক্ষোভ রয়েই গিয়েছে কোঠারিদের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+