বেকারদের মাসে ৬০০০ টাকা দিয়ে সাহায্য, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন! ৯দফা পরামর্শ দিয়ে মোদীকে চিঠি মমতা সহ বিরোধীদের
গোটা দেশে বাড়ছে সংক্রমণ। কিন্তু নেই পর্যন্ত অক্সিজেন, হাসপাতাল। কার্যত প্রতি সেকেন্ডে শুধু নেই এর কারণে মরতে হচ্ছে দেশের মানুষকে। এই অবস্থায় ভ্যাকসিনের আকাল। যেখানে গবেষকদের একাংশ দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলছে সেখানে দ
গোটা দেশে বাড়ছে সংক্রমণ। কিন্তু নেই পর্যন্ত অক্সিজেন, হাসপাতাল। কার্যত প্রতি সেকেন্ডে শুধু নেই এর কারণে মরতে হচ্ছে দেশের মানুষকে। এই অবস্থায় ভ্যাকসিনের আকাল।
যেখানে গবেষকদের একাংশ দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলছে সেখানে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে মানুষকে।

কিন্তু কেন্দ্রের দাবি, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে। যদিও ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন বিরোধীরা।
এমনকি আজ ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে বিদেশি ভ্যাকসিন কিংবা বিদেশি সংস্থাকে দিয়ে ভ্যাকসিন তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন।
যদিও এই পরামর্শকে 'বিরোধীদের রাজনীতি' বলেই আখ্যা দিয়েছেন। এ বার দেশজুড়ে সবার জন্য বিনামূল্যে টিকাকরণ এবং ভ্যাকসিন নীতিতে বদল আনার আবেদন জানিয়ে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিল বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই চিঠিতে সই করেছেন।
এছাড়াও এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, সর্বভারতীয় সিপিএম সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়া, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে, ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিন, জেএমএম প্রধান হেমন্ত সোরেন, ফারুক আবদুল্লাহ, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব-সহ আরও অনেকে।
কার্যত করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ নিয়ে প্রবল চাপের মুখে মোদী সরকার। কার্যত এই অবস্থায় আরও চাপ বাড়াতে একজোট দেশের বিরোধীরা। একজোট হয়ে দেওয়া বিরোধীদের চিঠিতে ৯ দফা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে মোদী সরকারকে।
একদিকে যেমন ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে নীতি পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, তেমনই সেন্ট্রাল ভিস্তার কাজ বন্ধ রেখে সেই টাকা ভ্যাকসিন এবং অক্সিজেনের কাজে ব্যবহার করার আবেদন জানানো হয়েছে। চিঠির শেষে মোদী সরকারকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিরোধীরা।
তাঁরা লিখেছেন, কোনও চিঠির উত্তর আপনি দেন না। তবে জনগণের স্বার্থে যদি আমাদের পরামর্শের কোনও জবাব দেন তবে স্বাগত জানাব!
৯ দফা পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন বিরোধীরা সেগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণগুলি হল- শুধু দেশে তৈরি ভ্যাকসিনের ভরসায় থাকলে হবে না। দেশে তৈরি ভ্যাকসিনের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও ভ্যাকসিন আমদানি করতে হবে। বিনামূল্যে দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে হবে।
রাজধানীর সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কাজ বন্ধ রেখে সেই টাকা অক্সিজেন এবং ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য খরচ করতে হবে। দেশের সমস্ত বেকারদের মাসে কমপক্ষে ৬০০০ টাকা দিয়ে সাহায্য করা হোক। এমনই কিছু পরামর্শ কেন্দ্রকে দিয়েছন বিরোধীরা।












Click it and Unblock the Notifications