সরজমিনে সিবিআই! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে সিট গঠন না হওয়াতে প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা! এই মামলাতে খুন-ধর্ষণ সহ একাধিক মামলাতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মামলাগুলির তদন্তে রাজ্য প্রশাসনকে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা! এই মামলাতে খুন-ধর্ষণ সহ একাধিক মামলাতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মামলাগুলির তদন্তে রাজ্য প্রশাসনকে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।

একই সঙ্গে এই নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত সিট গঠন করা নিয়ে কোনও ভূমিকা নেয়নি রাজ্য সরকার। আর এখানেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীদের। ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের ফের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবনা চিন্তা শুরু করেছেন আইনজীবীরা।
তবে আরেকটু সময় রাজ্য সরকারকে দিতে চান আইনজীবীরা। এরপরেই ফের স্পেশাল বেঞ্চের দ্বারস্থ হচ্ছেন তাঁরা। এমনটাই আদালত সূত্রের খবর।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ পাওয়া মাত্র তদন্তে নেমে পড়েছেন আধিকারিকরা। ১০৯ জনের একটি টিম তৈরি করে চলছে তদন্ত। একেবারে মাঠে ময়দানে নেমে চলছে তদন্ত। শনিবার ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে দুজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য গত ১৪ মে নদিয়ার চাপড়ায় বিজেপি কর্মী ধর্ম মণ্ডলকে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই মামলাতে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করা হয়। আজ সেখানে গিয়ে সরজমিনে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে।
আর এরপর দুজনকে গ্রেফতার করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। মূলত কীভাবে ঘটনা তা জানার জন্যে ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হৃদয়পুর গ্রাম থেকে তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত বিজয় ঘোষ ও অসীমা ঘোষ নামে দু'জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন গোয়েন্দারা। দীর্ঘ জেরার পর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, খুনের অভিযোগে এফআইআরে নাম রয়েছে ধৃতদের।
অন্যদিকে আজ সোমবার এই মামলার তদন্তে জগদ্দলে গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। ভোটের রায় ঘোষণার পরেই খুন হতে হয় আকাশ যাদবকে। এক্ষেত্রেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। আর আজ সেখানে পৌঁছে স্পট ভিজিট করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙে কথা বলে ঘটনার সূত্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। অনেক ক্ষেত্রে পাড়ার লোকেদের কাছ থেকে জেরা করে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গাতেও সিবিআই গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরির আশঙ্কা। বিশেষ করে এখনও সিট গঠন না হওয়াতে ধোঁয়াশায় আইনজীবীরা। এখনও কেন কাজ শুরু করল না সিট? কেন বিজ্ঞপ্তি জারি করল না রাজ্য সরকার? ১৯ অগাস্টের রায়কে কেন মান্যতা দিচ্ছে না সরকার?
৬ সপ্তাহের মধ্যে কী করে রিপোর্ট দেবে সিট?', এমনই একাধিক প্রশ্ন তুলে আগামীকাল মঙ্গলবার আবেদনের সম্ভাবনা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে।












Click it and Unblock the Notifications