তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাইয়ে দেওয়া রাজনীতির প্রচারও ভুল ছিল, আলিমুদ্দিনকে ধমক পলিটব্যুরো
তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাইয়ে দেওয়া রাজনীতির প্রচারও ভুল ছিল, আলিমুদ্দিনকে ধমক পলিব্যুরোর
সিপিএম ফের ভুল স্বীকার করল। রাজ্য কমিটির বৈঠকে সিপিএম স্বীকার করেছিল বিজেমূল স্লোগান ভুল ছিল। এবার সিপিএমের পলিটব্যুরো স্বীকার করে নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাইয়ে দেওয়া রাজনীতির প্রচারও ভুল ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলিতে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি বলে প্রচার ভুল ছিল।

জনতাও বিশ্বাস হারিয়েছে লালপার্টির প্রতি
সিপিএমের পলিটব্যুরো এদিন পার্টিনোটে তীব্র ভর্ৎসনা করে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে। বঙ্গ সিপিএমের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে পলিটব্যুরো জানায় বাংলায় বিপর্যয়ের কারণ গোটা দেশে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাদের। পার্টি ঠিক লাইন নিতে পারেনি বলেই পিছিয়ে পড়তে হয়েছে সিপিএমকে। জনতাও বিশ্বাস হারিয়েছে লালপার্টির প্রতি।

একেবারে নিঃশেষ হয়ে গেল ৩৪ বছরের শাসক
বাংলার জনতা যখন তৃণমূল সরকারের জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তখন পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি বলে মানুষকেই অপমান করা হয়েছে। তার ফল ভুগছে সিপিএম। ২০১১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হয়ে চলেছে বাংলার ৩৪ বছরের শাসকদলের। ২০২১-এ বাংলার বিধানসভা থেকে একেবারে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে সিপিএম।

২০২১-এও শূন্য, হাত কামড়াচ্ছে সিপিএম
২০১৬-য় বিরোধী ভূমিকায় তারা অবতীর্ণ হয়েছিল ৩২টি আসন পেয়ে। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে সেবার মুখরক্ষা হলেও এবার সংযুক্ত মোর্চা গড়ে ডাহা ফেল সিপিএম। একেবারে শূন্য পৌঁছে তারা লজ্জার রেকর্ড গড়েছে। সিপিএম চাইছে দ্রুত এই করুণ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে। ২০১৯-এর পর ২০২১-এও শূন্য পেয়ে এখন হাত কামড়াচ্ছে তারা।

হতাশজনক পরিস্থিতির পরিবর্তন আনতে
কোথায় ভুল ছিল, এখন কী তাদের করণীয়, তা জানতে চাইছে সিপিএম। রাজ্য কমিটির বৈঠক হোক বা পলিটব্যুরোর বৈঠক সর্বত্রই আলোচনায় বাংলায় সিপিএমের শোচনীয় ব্যর্থতা প্রসঙ্গ উঠে আসছে। এই হতাশজনক পরিস্থিতির পরিবর্তন আনতে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

শূন্য থেকে শুরু করতে চায় সিপিএম
সিপিএম চাইছে শূন্য থেকেই শুরু করতে। আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করতে চায় তারা। সিপিএম এখন নতুন কী কৌশল নিয়ে এগোয়, সেটাই দেখার। পলিটব্যুরো মনে করছে, সিপিএম যদি সঠিক লাইন নিত, তাহলে এভাবে শূন্য হয়ে যেত না। তৃণমূল জনমুখী প্রকল্প দিয়ে যখন হৃদয় জয় করছে, তখন তার বিরোধিতা করে সিপিএম মানুষকেই দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার চেষ্টা
এই অবস্থায় আবার জনসংযোগ তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে যেতে হবে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সিপিএম এখন পাখির চোখ করছে আসন্ন পুরভোটকে। পুরসভা ভোটের পাশাপাশি উপনির্বাচনেও দাগ কাটতে সিপিএম উদ্যোগী। সিপিএম এখন বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে আবার।












Click it and Unblock the Notifications