• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পুলিশ দালাল, গোপন বৈঠক সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে, তোপ কুণাল ঘোষের

  • By Ananya Pratim
  • |
কুণাল
কলকাতা, ২৯ এপ্রিল: তিনি সাংবাদিকদের কিছু বলতে চেয়েছিলেন। 'বিপদ' বুঝে সঙ্গে সঙ্গে কুণাল ঘোষের চারপাশে বলয় তৈরি করে ফেলল পুলিশ। কিন্তু তাঁকে কেন বলতে দেওয়া হবে না, এই প্রশ্নে সাংবাদিকরা হইচই শুরু করতে বেকায়দায় পড়ে গেল উর্দিধারীরা। প্রবল হট্টগোল, ঠেলাঠেলিতে কুণাল ঘোষ সারদা-কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের যোগসাজশের অভিযোগ তুলতেই তাঁকে সাততাড়াতাড়ি ঘিরে ধরে ঢুকিয়ে দিল আদালত কক্ষে। মঙ্গলবার এমনই দৃশ্য দেখা গেল বিধাননগর আদালত চত্বরে।

কড়া পাহারায় এদিন কুণাল ঘোষকে আনা হয় বিধাননগর আদালতে। পুলিশের গাড়ি থেকে নামতেই সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেন তাঁকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁকা ছবি সুদীপ্ত সেন বিপুল টাকায় কিনেছিলেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা জানতে চাওয়া হয়। কুণালবাবু বলেন, সুদীপ্ত সেন এখন অস্বীকার করছেন ছবি কেনার কথা। কিন্তু তিনিই ছবিগুলি কিনেছেন। এখন ভোল বদলাচ্ছেন।

এর পরই তিনি আরও কিছু বলতে চাইলে হঠাৎ তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়। কুণালবাবুর চারদিকে বলয় তৈরি করে ফেলা হয়। তখন কুণাল ঘোষ মাটিতে বসে পড়েন। চিৎকার করে বলতে থাকেন, "আমি প্রেসের সঙ্গে কথা না বলে উঠব না। এখানেই বসে থাকব।" দেখা যায়, একজন হাট্টাকাট্টা পুলিশ অফিসার তাঁকে 'উঠুন উঠুন' বলে ধমকাচ্ছেন। এর পরই সাংবাদিকরা সমস্বরে চিৎকার করতে থাকেন পুলিশের উদ্দেশে, "এত ভয় কেন আপনাদের? যখন বলতে চাইছে বলতে দিন।" তখন পুলিশ কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায়।

কুণাল ঘোষকে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে বাধা, হঠাৎ অতি সক্রিয় পুলিশ

সেই সুযোগে কুণাল ঘোষ চিৎকার করতে থাকেন, "আমাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। অথচ আমার সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে না। শ্যামল সেন কমিশনে আমাকে ডাকা হচ্ছে না। তদন্তে আমার কথা শোনা হচ্ছে না। আমি প্রেসের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এত ভয় কেন? ১০, ১১, ১২ এপ্রিল আমি আর সুদীপ্ত সেন আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে ছিলাম। তখন সুদীপ্ত সেন আমায় বলেছিলেন, উনিই টাকা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি কিনেছেন। এখন উল্টো কথা বলছেন। আমি বলেছিলাম, তদন্তের সময় কিছু জানতে চাইলে যেন সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে আমায় মুখোমুখি বসানো হয়। তা হলে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। তদন্তে সুবিধা হবে। পুলিশ সেটা করেনি। বরং পুলিশ সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে। এই পুলিশ দালালি করছে। যারা সারদা কোম্পানির থেকে টাকা নিয়েছে, তাদের বাঁচাতে ব্যস্ত। পুলিশই তথ্যপ্রমাণ লোপাট করছে। কেন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য সরকার আড়াল করছেন দোষীদের?"

কথা বলতে বলতে ততক্ষণে আদালত কক্ষের উদ্দেশে যেতে শুরু করেছেন কুণাল ঘোষ। সিঁড়িতে উঠে পড়েছেন। কিন্তু পুলিশ বুঝতে পারে 'জল মাথার ওপর' দিয়ে যাচ্ছে। ধাক্কা দিয়ে কুণালবাবুকে ঢুকিয়ে দেয় এজলাসে।

এজলাস থেকে বেরোনোর পরও এক দফা নাটক। আবার মিডিয়ার উদ্দেশে কিছু বলতে যান তিনি। এবার আর সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রিজন ভ্যানের দরজা দাঁড়িয়ে কুণাল ঘোষ কিছু বলতে চাওয়ায় সামনে থেকে একজন পুলিশকর্মী তাঁকে ঠেলতে থাকেন আর পিছন থেকে একজন টেনে ঢুকিয়ে দেন ভিতরে। তার পর পুলিশ আটকে দেয় সাংবাদিকদের। দড়াম করে বন্ধ হয়ে যায় প্রিজন ভ্যানের দরজা। ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে থাকে পুলিশের গাড়ি। দেখা যায়, তখনও প্রিজন ভ্যানের ভিতর থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চিৎকার করে অভিযোগ জানাচ্ছেন কুণাল ঘোষ।

প্রশ্ন উঠেছে, শ্যামল সেন কমিশন সত্যিই যদি তার সাক্ষ্য না নিয়ে থাকে, তা হলে রাজ্য সরকার কি কিছু আড়াল করতে চাইছে? বাঁচাচ্ছে রাঘববোয়ালদের? এদিন কুণালবাবুকে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের অতি তৎপরতা কিন্তু সেই সন্দেহকেই ঘনীভূত করেছে।

lok-sabha-home
English summary
Police trying to protect culprits of Saradha Case, lambasts Kunal Ghosh
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more