• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লঞ্চে জলদস্যু হানা, সুন্দরবনে সর্বস্ব লুঠ পর্যটকদের

  • By Ananya Pratim
  • |
পশ্চিমবঙ্গ
ডায়মন্ড হারবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি: সুন্দরবন বেড়াতে গিয়ে জলদস্যুদের হামলার শিকার হলেন একদল পর্যটক। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কুলতলির কাছে কাটামারি খালে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে খবর, নদীয়া জেলার অন্তত ৪০ জন পর্যটক বেড়াতে এসেছিলেন সুন্দরবনে। বৃহস্পতিবার তাঁরা 'এমভি যুমনা' নামে একটি লঞ্চ ভাড়া করেন। সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে শুক্রবার বিকেলে কৈখালিতে আসে লঞ্চটি। সেখানে নেমে পর্যটকরা বাজার করেন। তার পর আবার সুন্দরবনের দিকে রওনা দেন। রাতে লঞ্চটি নোঙর ফেলে সুন্দরবনের কাটামারি খালে। সেই রাতেই জলদস্যুদের কবলে পড়েন পর্যটকরা।

লঞ্চের চালকের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী, রাত দু'টো নাগাদ ভুটভুটিতে চেপে একদল দুর্বৃত্ত হানা দেয়। তাদের মুখ ছিল কালো কাপড়ে ঢাকা। হাতে ছিল ভোজালি, রিভলভার ইত্যাদি। লঞ্চের কর্মীদের মারধর করে মুখ-হাত বেঁধে ফেলে তারা। তার পর এগিয়ে যায় পর্যটকদের দিকে। পর্যটকরা প্রথমে জিনিসপত্র দিতে চায়নি। তখন জলদস্যুরা মেয়েদের নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া শুরু করে। কয়েকজনের শাড়ি খুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তখন সম্মান বাঁচাতে পর্যটকরা মোবাইল, নগদ টাকা, ক্যামেরা, জামাকাপড় সব কিছু জলদস্যুদের হাতে তুলে দেন। শুধু তাই নয়, পালাবার সময় লঞ্চে মজুত থাকা চাল-ডাল, মশলা, আনাজপাতিও নিয়ে যায় তারা। সব মিলিয়ে অন্তত ছ'লক্ষ টাকার জিনিস লুঠপাট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

হানাদারির সময় এক পর্যটক কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনটি লুকিয়ে রেখেছিলেন। সেই ফোন থেকে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরদিন ওই পর্যটকরা কুলতলি থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। জলদস্যুদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এরা স্থানীয় জলদস্যু নাকি বাংলাদেশ থেকে এসেছিল, তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

lok-sabha-home
English summary
Pirates robbed tourists in Sunderbans, police clueless yet
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more