• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আম্ফান পরবর্তী সুন্দরবনে এবার ভরা কোটালের আতঙ্ক

  • By অভীক
  • |

ভরা কোটালের মোকাবেলায় কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য সরকার। বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁ ব্লকের আঁটপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কোকিলপুরে বুড়ি নদীর বাঁধে প্রায় ১০০ ফুট ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। পাশাপাশি সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখাঁ, হাড়োয়া সহ সুন্দরবন লাগোয়া ব্লকগুললিতে এখনো অসংখ্য নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত, বহু গ্রাম জলবন্দি, ত্রাণশিবিরে লক্ষাধিক মানুষ। সব মিলিয়ে আগামীকাল শুক্রবার ভরা কোটালে নতুন আতঙ্কের ছায়া দেখছে সুন্দরবনের মানুষ। চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। কোনরকমে খড়কুটোর মতো এক জায়গায় ঘর বাঁধার চেষ্টা চালাচ্ছে।

আম্ফান পরবর্তী সুন্দরবনে এবার ভরা কোটালের আতঙ্ক

পাশাপাশি গবাদি পশুও এখনো জলবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ‍্যক্ষ নারায়ন গোস্বামী, মিনাখাঁর বিধায়ক ঊষা রানী মন্ডল, মিনাখাঁ বিধানসভার চেয়ারম্যান মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, উত্তর ২৪ পরগণা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ মিত্র, মিনাখাঁর বিডিও শেখ কামরুজ্জামান ও সেচ দপ্তরে আধিকারিকরা বাঁধ পরিদর্শনে যান।

তারা ভাঙা বাঁধের সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। ইতিমধ্যে বিডিওর তরফে নদীর বাঁধে বালির বস্তা ফেলে আটকানোর চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবারের ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। ১৫দিন কেটে যাওয়ার পরেও আম্ফানের দগদগে ঘা এখনো মানুষের মধ্যে রয়েছে। যত সময় যাচ্ছে ধ্বংসাত্মক ছবি পরিস্কার হচ্ছে। তারপর ভরা কটাল নতুন আতঙ্কের সুন্দরবনের মানুষ প্রহর গুনছে।

পেট্রোপোল থেকে তৃণমূল মোটা টাকা আমদানি করছে, ঘুষের টাকা যাচ্ছে কোথায়? প্রশ্ন রাহুলের

কোয়ারেন্টাইন সেন্টার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ! মমতার আমলে রাজ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে প্রশ্ন অধীরের

English summary
People of Sundarbans fears new weather condition
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more