• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আজ পুলিশকে ধমকে কী হবে? ভবানীপুর থানা থেকে অভিযুক্তকে বের করার সময়ে এই পুলিশকেই বেআব্রু করা হয়েছিল

ফের প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর রাজ্যের পুলিশই নাকি তাঁর সরকারের কথা শুনছে না। এই নিয়ে সোমবার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সহ নানা প্রশাসনিক ও পুলিশকর্তাদের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের একঝাঁক মন্ত্রী। এরপর মমতাও পুলিশকে একহাত নেন; কড়া কথা বলেন ডিজি বীরেন্দ্রর সঙ্গেও।

অনেকের মতে, এক দশক আগে ২০০৯ সালেও তৎকালীন বাম সরকারের শেষ অবস্থায় এমনই অবস্থা দেখা গিয়েছিল বঙ্গীয় পুলিশের মধ্যে। তবে কী?

হতোদ্যম, দিশেহারা পুলিশকে চোখ রাঙিয়ে কী হবে?

হতোদ্যম, দিশেহারা পুলিশকে চোখ রাঙিয়ে কী হবে?

মমতা ধমক-ধামক দিয়ে পুলিশকে কাজ করাতে চাইছেন ঠিকই, কারণ পুলিশি শক্তি ছাড়া রাজ্যের আইন-কানুন বজায় রাখা মুশকিল আর বিশেষ করে যখন রাজনৈতিক হানাহানির ঘটনা ঘটে চলেছে অহরহ। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের যে hare কোনঠাসা অবস্থা হয়েছে, তাতে বাহিনীর পক্ষে নির্ভুল ও কর্মোদ্যোগী হয়ে কাজ করা সহজ নয়।

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের ভাবমূর্তি এখন রাজনীতিকরণের ধাক্কায় এতটাই মলিন যে সাধারণ মানুষের কাছেও তারা বিশেষ সমবেদনা পাবে, এমন আশা করা অন্যায়।

থানা থেকে নিজের দলের অভিযুক্তদের রেহাই দিয়েছিলেন মমতা; কী বার্তা গেছিল?

থানা থেকে নিজের দলের অভিযুক্তদের রেহাই দিয়েছিলেন মমতা; কী বার্তা গেছিল?

পুলিশের এই দুর্দিনের জন্যে দায় এড়াতে পারেন না মমতাদেবী নিজেও। যে বছর তিনি প্রথম ক্ষমতায় এলেন, সেই ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে থানায় ঢুকে নিজেরই দলের দুই অভিযুক্তকে যেভাবে মমতা ছাড়িয়ে এনেছিলেন, তাতেই বঙ্গীয় পুলিশের কবর খোঁড়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। এরপর কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন প্রধান রাজীব কুমারের সঙ্গে সিবিআই আধিকারিকরা দেখা করতে এলে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় বসে ধর্না শুরু করে বিষয়টির চূড়ান্ত রাজনীতিকরণ করেন, তাতেও অনেকেরই ভ্রূ কোঁচকায়। এছাড়া, দুষ্কৃতীদের হাতে পুলিশের মৃত্যু, আহত হওয়ার ঘন ঘন ঘটনা তাদের মনোবল আরও ভেঙে দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে দলতন্ত্র গিলে খেয়েছে বামেদের আমল থেকেই

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে দলতন্ত্র গিলে খেয়েছে বামেদের আমল থেকেই

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে দলতন্ত্রের রাজনীতিতে পিষে ফেলা নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু যে ঘটনা থেকে অতীতে বামেরা কিছু না শিখে ফাঁদে পড়েছিলেন, দেখা যাচ্ছে তাঁদের উত্তরসূরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রায় সেই একই দোষে দুষ্ট।

প্রশ্ন উঠবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ যে পুলিশকে শক্ত ও কঠোর হতে বলছেন তা কী সত্যি সত্যি রাজ্যের সঙ্গীন হালকে মেরামত করার জন্যে নাকি ভোটে তাঁর দলের শোচনীয় ফলের পরে ভবিষ্যতে আর যাতে এই পরিস্থিতি না হয়, সেই কারণে? যদি দ্বিতীয়টি হয়ে থাকে, তবে তাহলে বলতে হবে ইতিহাস থেকে তৃণমূল নেত্রী বিশেষ শিক্ষা নেননি।

[আরও পড়ুন:খুনি মুখ্যমন্ত্রী, হওয়া উচিত এফআইআর! মমতাকে আক্রমণ মুকুলের]

[আরও পড়ুন:কেন্দ্রে এখন বিজেপির একক সরকার; বাংলায় ৩৫৬ ধারার দিকে তাঁরা এগোলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না ]

English summary
Party politics has damaged West Bengal Police; Bashing them up today won’t help much
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more