• search

পরপর কন্যা সন্তান! দম্পতি যা ‘কীর্তি’ করল লজ্জায় মুখ লোকানোর জায়গা পাবেন না

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    আবার কন্যা সন্তান। পর পর দুই কন্যা সন্তান হওয়ায় শিশু সন্তানকে 'খুন' করার অভিযোগ উঠল বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে। শুধু 'খুন' করেই ক্ষান্ত নয় গুণধর বাবা-মা, তারা নিজের শিশু সন্তানের দেহ বাড়ির কাছে খালের ধারে পুতে লোপাটের চেষ্টাও করে। নির্মম-নিষ্ঠুর এই ঘটনা দক্ষিণ বারাসতের উত্তর কালিকাপুরে।

    পরপর কন্যা সন্তান! দম্পতি যা ‘কীর্তি’ করল লজ্জায় মুখ লোকানোর জায়গা পাবেন না

    কাকপক্ষীতে যাতে টের না পায়, রাতের অন্ধকারে এই কাজ সেরেছিল তারা, কিন্তু বাবা-মায়ের নিষ্ঠুর কীর্তিকলাপ ফাঁস হয়ে গেল অচিরেই। সঞ্জয় মণ্ডল ও মাধবী মণ্ডলের শিশু সন্তানের জন্ম হয়েছিল মাত্র ১৮ দিন আগে। জন্মের কয়েকদিন পরই শিশুটির নিউমোনিয়া হয়। তাকে কোনও চিকিৎসা না দিয়ে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।

    [আরও পড়ুন:পড়শি যুবকের সঙ্গে জমে উঠেছিল 'প্রেম', বিদেশ থেকে স্বামী ফিরতেই পরিণতি ভয়ানক]

    নিউমোনিয়াতে ভুগলেও শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়নি। কার্যত খুন করা হয় শিশুটিকে। শিশুটির মৃত্যুর পর সবার অলক্ষ্যে তার দেহ লোপাটের চেষ্টা করা হয়। বাড়ির পাশেই খালের পাড়ে পুতে দেওয়া হয় তাকে। এদিন দুর্গন্ধ বের হতে থাকে খালের ধার থেকে। সন্দেহ হয় স্থানীয়দের।

    [আরও পড়ুন:১৫০০ টাকার জন্য কান কাটা গেল পাওনাদারের! পাওনা চাইতেই জুটল অস্ত্রের কোপ ]

    তারপর আরও সন্দেহ দানা বাঁধে শিশুটির কোনও আওয়াজ না পেয়ে। বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রতিবেশীরা কেউ শিশুটির সাড়া পাননি। এরপরই গ্রামের লোকেরা চেপে ধরেন সঞ্জয়-মাধবীকে। অনেক জেদাজেদির পর সব ঘটনা খুলে বলে তারা। খবর দেওয়া হয় জয়নগর থানায়। পুলিশ এসে দেহ তুলে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত বাবা-মা।

    [আরও পড়ুন:এক-আধটা নয়, ৩১টি পাহাড় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল দেশের বুক থেকে! রিপোর্টে চাঞ্চল্য]

    English summary
    Parents ‘murders’ their baby as she is girl at South Barasat. The body is recovered from side of canal,

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more