• search

পঞ্চায়েত ভোট আসছে, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তড়িঘড়ি রাস্তা, কাজ বন্ধ করলেন গ্রামবাসীরা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    হুগলি, ২২ মার্চ : পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এলাকা উন্নয়নে কাজ। ভোটের আগে কাজ দেখানোর তো একটা তাগিদ থাকেই। এমনই একটা উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে হুগলির ডানকুনিতে। অভিযোগ, নিম্নমানের সরঞ্জাম দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। বিক্ষোভে সামিল হয়ে সেই কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা। গ্রাম কমিটিতে থাকা তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যই সরব হয়েছেন এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে।

    ডানকুনির মিরপুর এলাকায় তিন কিলোমিটার পাকা রাস্তা তৈরি হচ্ছে। বরাদ্দ করা হয়েছে ১ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা। অভিযোগ, রাস্তা তৈরির জন্য গ্রা কমিটি হলেও, সেই কমিটির কোনও প্রস্তাব মানা হয়নি বলে অভিযোগ। কমিটিকে অন্ধকারে রেখে নিম্নমানের সরঞ্জাম দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। তৃণমূলের একাংশ এই ঘটনায় জড়িত। এরই জেরে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ সামিল হন। রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য আজিজুল হক।

    পঞ্চায়েত ভোট আসছে, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তড়িঘড়ি রাস্তা, কাজ বন্ধ করলেন গ্রামবাসীরা

    গ্রামবাসীদের দাবি, ইঞ্জিনিয়ার এনে রাস্তা তৈরির সরঞ্জাম পরীক্ষার পরই কাজ শুরু করা যাবে। নইলে কোনওভাবেই রাস্তার কাজ শুরু করতে দেওয়া হবে না। কোনওরকমে নিম্নমানের জিনিস দিয়ে কাজ করে দেওয়া হবে, দু'দিন পরেই নষ্ট হয়ে যাবে রাস্তা তা, চলবে না। একশ্রেণির মানুষ নিজেদের উদরপূর্তির জন্য এইসব করছে, এই দুর্নীতি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    English summary
    Panchayet election is coming, road constructed with substandard materials, the villagers stopped work.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more