বাংলার মেয়ে মমতার ঘরের উপর এ যেন 'লক্ষ্মী'র অধিষ্ঠান! আশীর্বাদ বলছেন তৃণমূল কর্মীরা
বিপুল ভোটে বাংলায় জয় পেয়েছে তৃণমূল! নবান্নের চেয়ারে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল বিজেপি হাওয়া উপেক্ষা করে জনগনের আশীর্বাদে ক্ষমতার শীর্ষে বাংলার ঘরের মেয়ে। আর এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে ২০১৪। লোকসভা নির্বাচন।
বিপুল ভোটে বাংলায় জয় পেয়েছে তৃণমূল! নবান্নের চেয়ারে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল বিজেপি হাওয়া উপেক্ষা করে জনগনের আশীর্বাদে ক্ষমতার শীর্ষে বাংলার ঘরের মেয়ে। আর এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে ২০১৪। লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। কর্পোরেট স্টাইলে সেজে উঠছে তৃণমূল ভবন।
বেশ কয়েকটি ঘরকে সাজানো হচ্ছে নতুন করে। বেশ কয়েকটি তলও বাড়ানো হচ্ছে। আর এই কাজ চলাকালীন ঘটল এক অদ্ভদ ঘটনা। যা দেখে অনেকেই স্তম্ভিত হয়ে পড়েন!!!

ঠিক মমতার ঘরের উপরেই লক্ষ্মী পেঁচার বাস!
সকাল থেকেই তৃণমূল ভবনে কাজ চলছিল। ভবনের যে ঘরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসেন তার উপরেই চলছিল কাজ। আর ঠিক সেই ঘরের উপরে চিলেকোঠাতে একটা বিশাল লক্ষ্মী পেঁচা বসে থাকতে দেখেন কর্মীরা। এত বড় পেঁচা দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যায়। কলকাতার বুকে পেঁচা প্রায় এখন দেখাই যায় না। ফলে এটিকে দেখে অনেকে অবাক হয়ে যান। তবে সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে উদ্ধার করা হয়। মনে করা হচ্ছে, বহুদিন ধরেই হয়তো সে সেখানে বাসা করে থাকত। ঘর সংস্কারের কাজে হাত পড়তেই খোঁজ মেলে সেটির।

খবর দেওয়া হয় বন দফতরে!
এরপরে সঙ্গে সঙ্গেই খোঁজ দেওয়া হয় বনদফতরে। সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, ডানায় সামান্য আঘাত লেগেছে পেঁচাটির। বন দফতরের আধিকারিকদের অনুমান, পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ পেঁচা এটি। বিজ্ঞানসম্মত নাম কমন বার্ন আউল। সল্টলেকে বন দফতরের চিকিৎসা কেন্দ্রে এর শুশ্রূষা হবে। সেরে গেলে নেচারে ছেড়ে দেওয়া হবে। এমনটা জানা গিয়েছে।

ভগবানের আশীর্বাদ!
খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরের উপর থেকে এভাবে পেঁচা উদ্ধারে ঘটনায় অনেকে বলছেন এটা নাকি মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ মমতার উপর। নন্দীগ্রামে বরাত জোড়ে বেঁচে যাওয়া। ভাঙা পায়ে প্রচার থেকে বিপুল ভোটে জয়। কার্যত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে জয়। মোটেই বিশাল ব্যাপার নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ভগবানের আশীর্বাদ না থাকলে এমন চলতে পারতেন না।

সেজে উঠছে ভবন!
২৪ এর লক্ষ্যে ঢেলে সাজানো হবে তৃণমূল ভবণ। দলের প্রধান কার্যালয় তৃণমূল ভবনটি নতুন করে সম্প্রসারণ করা হবে। জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ভবনে বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক বৈঠকে দেখা যেত বসার জায়গার অভাব রয়েছে। এমনকি জেলা থেকে কর্মীরা আসলে থাকতে দেওয়া যায় না, খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। এবার সবকিছু করা হবে। কর্পোরেট ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে। জেলা থেকে আগত কর্মীদের থাকার ঘর তৈরি হবে। ভার্চুয়াল মিটিং করার ঘর থাকবে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য আলাদা আলাদা ঘর থাকবে। দলের যুব সংগঠন, কালচারাল সেল সহ অন্যান্য সংগঠন গুলির জন্য আলাদা ঘর তৈরি হবে। তিন তলা থেকে চার তলা পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে ভবনও। ভবনের মধ্যে থাকবে ভার্চুয়াল বৈঠক করার ব্যবস্থা থেকে অত্যাধুনিক সমস্ত বিষয়।












Click it and Unblock the Notifications