• search

বসিরহাট হাতছাড়া, চৌরঙ্গিতে জামানত জব্দ, দুঃসময় কাটল না সিপিএমের

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    টিএমসি
    কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর: এমন দিনও দেখতে হল!

    চৌরঙ্গি আসনে সিপিএম প্রার্থী ফৈয়াজ আমহেদ খান শুধু হারলেনই না, তাঁর জামানত জব্দ হল। পাশাপাশি, যে বসিরহাট দক্ষিণ আসনে ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে জিতেছিল সিপিএম, সেখানে তারা নেমে এল তৃতীয় স্থানে। ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরে থাক, আগামী দিনে রাজ্যে সিপিএম 'সাইনবোর্ড পার্টি' হয়ে যাবে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

    আরও পড়ুন: ঘাসফুলের ভিড়ে পদ্ম ফুটিয়ে ইতিহাস গড়লেন শমীক
    আরও পড়ুন: হাড্ডাহাড্ডি লড়েও চৌরঙ্গিতে হারল বিজেপি, জয়ী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় কেউ কল্পনাও করতে পারত না যে, সিপিএমের কখনও জামানত জব্দ হতে পারে। ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে প্রথম অশনি সঙ্কেত দেখেছিল সিপিএম তথা বামফ্রন্ট। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন, ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটের বৃত্তান্ত সবারই জানা। বিধানসভা ভোটে হেরে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর দলে শুদ্ধিকরণের পালা শুরু হয়েছিল। চলতি বছরের লোকসভা ভোটে যখন সিপিএম ১৫ থেকে দু'টি আসনে নেমে এল, তখন জোর দাবি উঠেছিল নেতৃত্ব পরিবর্তনের। বিমান বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত নতুন মুখ আনার দাবি উঠেছিল দলের অন্দরেই। কিন্তু নেতৃত্ব বদল হয়নি।

    আজ সিপিএমের এই হাল মূলত দু'টি কারণে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারদা-কাণ্ড, টেট কেলেঙ্কারি, ক্রমবর্ধমান ধর্ষণের ঘটনা ইত্যাদি কোনও কিছুকেই ইস্যু করে দুর্বার আন্দোলনে ঝাঁপাতে পারেনি সিপিএম। যেটুকু করেছে, নিয়মতান্ত্রিক। এটা নেতৃত্বেরই ব্যর্থতা। সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের মতে, জ্যোতি বসু-প্রমোদ দাশগুপ্তের মতো কেউ আজ থাকলে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ অন্য রকম হত।

    দ্বিতীয়ত, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-নেতাই ঘটনার সময় যে সিপিএম নেতাদের মুখ দেখে দেখে লোকে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন, তারা এখনও দলের মাথায় বসে আছে। তাই মানুষ সিপিএমের ওপর ভরসা করতে পারছে না। বেছে নিচ্ছে তৃতীয় বিকল্প অর্থাৎ বিজেপিকে।

    সিপিএমের এই ব্যর্থতার বোঝা তাই বয়ে বেড়াতে হল চৌরঙ্গির কংগ্রেস প্রার্থী ফৈয়াজ আহমেদ খানকে। তিনি কংগ্রেসের থেকেও কম ভোট পেয়েছেন। ৮৮৯০টি ভোট পেয়ে তিনি চতুর্থ স্থানে দাঁড়িয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৩৮,৩২৮টি ভোট, বিজেপির রীতেশ তিওয়ারি ২৩,৯৮৪টি ভোট এবং কংগ্রেসের সন্তোষ পাঠক পেয়েছেন ২৩,৩১৭টি ভোট।

    ২০১১ সালে যখন সারা রাজ্যে মমতা-হাওয়ায় লাল দুর্গ ভেঙে পড়েছিল, তখনও বসিরহাটে জিতেছিলেন নারায়ণ মুখোপাধ্যায়। সিপিএম বিধায়ক নারায়ণবাবু এলাকায় খুবই জনপ্রিয় ছিলেন বলে খবর। সেই বসিরহাটেই এ বার ২৪,৮৮৪টি ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে সিপিএম। কংগ্রেস ২১,৯৫৮টি ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য পেয়েছেন ৭১০০২টি ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দীপেন্দু বিশ্বাস পেয়েছেন ৬৯,৪১৬টি ভোট।

    এই প্রবণতা যদি ২০১৬ সালেও বজায় থাকে, তবে সিপিএমের কপালে অশেষ দুঃখ আছে, সন্দেহ নেই।

    English summary
    No good news for CPM, they lost Basirhat, stood fourth in Chowringhee

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more