ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ, রাজ্যে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল
ভোট পরবর্তী হিংসার (post poll violence) অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল (nhrc)। বুধবার সকালেই এসেছিলেন কমিশনের দুই প্রতিনিধি। আর রাতে এসেছেন আরও তিনজন প্রতিনিধি। এই পাঁচজনকে বাদ দিয়ে এই রাজ্
ভোট পরবর্তী হিংসার (post poll violence) অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল (nhrc)। বুধবার সকালেই এসেছিলেন কমিশনের দুই প্রতিনিধি। আর রাতে এসেছেন আরও তিনজন প্রতিনিধি। এই পাঁচজনকে বাদ দিয়ে এই রাজ্য থেকে প্রতিনিধি আছেন দুজন। প্রসঙ্গত বিজেপির (bjp) তরফ থেকে বারবার হিংসা নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে শুনানি
বিজেপি তথা বিরোধীদের অভিযোগ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এইসব ঘটনায় যেমন হত্যার ঘটনা ঘটেছে, ঠিক তেমনই মহিলাদের শ্লীলতাহানি, লুটের মতো ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ বিজেপি। অনেকেই দীর্ঘদিন ঘরের বাইরে থাকার পরে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন জরিমানা দিয়ে। এইসব অভিযোগ করেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। যেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের নেতৃত্বে বৃহত্তর বেঞ্চ শুনানিতে অংশ গ্রহণ করে।

হাইকোর্টের নির্দেশে ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল গঠন
১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মতো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ মিশ্র সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল গঠন করে দিয়েছেন। এই দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য রাজীব জৈন। প্রতিনিধি দলে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন এবং জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়েছে। এঁরা হলেন সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আতিৎ রশিদ এবং রাজুলবেন দেশাই। এছাড়াও এই দলে রয়েছেন কমিশনের তদন্তকারী অফিসার সন্তোষ মেহরা এবং মঞ্জিল সাইনি। রাজ্য থেকে এই কমিটিতে রাখা হয়েছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের রেজিস্ট্রার প্রদীপ পাঁজা এবং রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সদস্য রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দলটি পুরো বিষয় অনুসন্ধান করে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে রিপোর্ট পেশ করবে। রাজ্য সরকারের তরফে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের কাছে নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলেও, আদালত তা খারিজ করে দেয়।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে ৫৪১ টি অভিযোগ জমা
উল্লেখ্য যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ৫৪১ টি অভিযোগ জমা পড়লেও, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের কাছে একটিও অভিযোগ জমা পড়েনি। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বারবার সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। সম্প্রতি তিনি বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে কথা বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে।

রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ, অভিযোগ তৃণমূলের
এব্যাপারে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেছেন, এই প্রক্রিয়া রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ। তিনি বলেছেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার কোনও ত্রুটি হলে তা দেখার কথা রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের। কিন্তু এব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কেন হস্তক্ষেপ করছে, তা তারা জানেন না বলেও মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা।












Click it and Unblock the Notifications