• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    অধীর-মুকুল বৈঠক নিয়ে জোর জল্পনা! কোন সমীকরণের পথে বঙ্গ রাজনীতি

    জল্পনার শেষ নেই। তৃণমূলের সঙ্গে মুকুল রায়ের সম্পর্ক ছিন্ন হতেই জল্পনার মাত্রা আরও বেড়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে তৃণমূলে বহিষ্কৃত মুকুল রায়ের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বৈঠক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে মহরমের দুপুরেই মুকুল-অধীরের বৈঠক হওয়ার কথা। এখন এই বৈঠক হলে নতুন অনেক সমীকরণ তৈরি হবে বাংলার রাজনীতিতে।

    অধীর-মুকুল বৈঠক নিয়ে জোর জল্পনা

    মুকুল রায়ের দলত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী তৃণমূল নেত্রীকে একহাত নিয়ে মুকুল রায়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর সাংগঠনিক ক্ষমতার তারিফ করেছিলেন। সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত। শুধু বিজেপি বা নতুন দলই নন, মুকুলের জন্য কংগ্রেসে ফেরার রাস্তাও খুলে রাখছেন অধীর চৌধুরী। আবার উল্টোটাও হতে পারে। বর্তমানে প্রদেশ কংগ্রেসে চাপে থাকা অধীর চৌধুরী মুকুলের সঙ্গে জোট বেঁধে বাংলায় নতুন লড়াই শুরু করতেও পারেন।

    [আরও পড়ুন: বিজেপি-তৃণমূলে বিক্ষুব্ধরা মুকুল-শিবিরে ফিরছেন! স্পষ্ট হল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে]

    বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ওঠা যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর এখনই মিলবে না ঠিকই। কিন্তু জল্পনারর মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলার এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যদি বৈঠকে বসেন তাহলে কী কী সম্ভাবনা উঠে আসতে পারে, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক মহল।

    অধীর-মুকুল বৈঠক নিয়ে জোর জল্পনা

    তৃণমূলের সঙ্গে মুকুল রায়ের সম্পর্ক হালে খারাপ হওয়া থেকেই তাঁর বিজেপি-সঙ্গ নিয়ে জল্পনার উদ্রেক হয়েছিল সবথেকে বেশি। উঠে পড়ে তাঁর নতুন দলের সম্ভাবনাও। সেই নতুন দলের রেজিস্ট্রেশন-সহ যাবতীয় কাজও সারা হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে মুকুল রায় যে কংগ্রেসেও যেতে পারেন এমন একটা সম্ভাবনা হালকা করে হলেও উঠেছিল। তা যে নেহাত জল্পনা ছিল না, মুকুল-অধীর বৈঠকের সম্ভাবনায় প্রমাণিত।

    মুকুল রায়ের মতো দক্ষ সংগঠক যদি কংগ্রেসে যান, তাহলে কোনও সন্দেহ নেই প্রদেশ কংগ্রেস শক্তিশালী হবে। যদিও মুকুল রায়কে নিয়ে কংগ্রেসও দু-ভাগ। আবদুল মান্নানদের যুক্তি মুকুল রায় এখনও সারদা-নারদ কলঙ্কমুক্ত নন। আর তার থেকেও তাঁকে নিয়ে বেশি আপত্তি মুকুল রায়ই কংগ্রেসকে ভাঙার মূল হোতা। তাঁকে মেনে নেওয়া কঠিন।

    অধীর-মুকুল বৈঠক নিয়ে জোর জল্পনা

    অধীরের পাল্টা যুক্তি ছিল, মুকুলবাবু সুদক্ষ সাংগঠক। দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তাঁর জুড়িমেলা ভার। তিনি দলের স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী কাজ করেছিলেন। এখন যে দলে যাবেন, সেই দলের স্ট্র্যাটেজি মেনে চলবেন। কিন্তু তাঁকে নিলে যে কোনও দল সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে তা বলাই বাহুল্য।

    এই পরিস্থিতিতে দুই নেতার এক জায়গায় হওয়া মানেই নতুন সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত হওয়া। পাশাপাশি উল্টো ঘটনাও ঘটতে পারে। দুই নেতা জোট বেঁধে রাজ্যে নতুন দল গড়তে পারেন। কেননা কংগ্রেসে বর্তমানে অনেকটাই কোণঠাসা অধীর। হাইকমান্ডের মমতা-ঘনিষ্ঠতা তিনি মানতে পারছেন না। হাইকম্যান্ডের নির্দেশ মেনে চললে, মমতার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাঁকে ভবিষ্যতে নির্বাচনে লড়তে হবে।

    যে কারণে তিনি সিপিএমের হাত ধরলেন, তারপর ফের মমতার সঙ্গে জোট বেঁধে তিনি কীভাবে নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন! তাই হাইকম্যান্ডের নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি মমতা বিরোধিতা চালিয়ে যাচ্ছেন সমানে। তাতে হাইকম্যান্ডের চক্ষুশূল হয়ে উঠছেন তিনি। এই মমতা বিরোধিতাই দুই নেতাকে একাসনে নিয়ে এসেছে খুব সহজে। এরপর পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নিতেই পারে। আপাতত দুই নেতাই স্পিকটি নট।

    সেই ১৯৯৭ সাল থেকে একদা সতীর্থ দুই নেতার চলার পথ আলাদা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুকুল রায় কংগ্রেস ত্যাগ করে তৈরি করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর দু-দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে মুকুল এখন দলহীন। এই অবস্থায় মমতাকে বার্তা দিতে দুই নেতা জোট বেঁধে ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি গড়তেও সিদ্ধহস্ত হতে পারেন। এরই মধ্যে নয়া জল্পনার অবতারণাও হয়েছে, দুই নেতাই গুরুত্ব ফিরে পেতে নাম লেখাতে পারেন বিজেপিতেও। এই একটা বৈঠকের জল্পনা জন্ম দিয়েছে অন্তত তিনটি নয়া সম্ভাবনার।

    English summary
    New speculation is started in Bengal politics for Adhir Chowdhury and Mukul Roy’s meeting.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more