• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফিরহাদ-সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের গ্রেফতারি সম্পূর্ণ বেআইনি! রাজ্যপালের অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন বিধানসভার অধ্যক্ষের

Google Oneindia Bengali News

নারদা-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সকাল সকাল রাজ্যের দুই মন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। গ্রেফতার করা হল রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হল বিধায়ক মদন মিত্র। গ্রেফতার শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। আর তা নিয়ে উত্তাল রাজ্যের রাজনীতি।

অভিযোগ, কোনও নোটিশ ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। একদিকে যখন চার নেতাকে আদালতে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অন্যদিকে নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বেআইনি কাজ করেছে সিবিআই

বেআইনি কাজ করেছে সিবিআই

তিন বিধায়কের এভাবে গ্রেফতার নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে তাঁর অনুমতি না নিয়ে ‘বেআইনি' কাজ করেছে সিবিআই। এমনটাই জানিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যয়। একই সঙ্গে সিবিআই যেভাবে গ্রেফতার করেছে বিধায়কদের তাতে চরম ক্ষুব্ধ তিনি। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারণ, কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল, কাউকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে অধ্যক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কিনা। আদালত জানতে চাওয়ায় আমি বলেছিলাম, আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে সিবিআই কিছু জানতেও চায়নি। কোনও চিঠিও দেয়নি।'' একই সঙ্গে বিমানবাবু এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল হাইকোর্টে এই বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন।

বিধায়কদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে নিয়ম কি?

বিধায়কদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে নিয়ম কি?

বিধানসভার কোনও সদস্যকে গ্রেফতার করতে হলে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। যেমন লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে অধ্যক্ষ ও চেয়ারম্যানের অনুমতি নেওয়া হয়। ঠিক একই ভাবে রাজ্যের কোনও বিধায়ককে গ্রেফতার কররে হলে অবশ্যী অধ্যক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হয় বলে দাবি। ক্ষেত্রে বিমানের অভিযোগ, ‘‘মাসখানেক ধরে হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি চলছিল। আমাদের কাছে যখন জানতে চাওয়া হয়েছিল বিষয়টি নিয়ে, আমরা তখন চিঠি দিয়ে নিজেদের মতামত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলাম। আমাদের কাছে কোনও রকম অনুমোদন বা অনুমতি চাওয়া হয়নি।"

রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বিমান বলেন, ‘‘হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে এক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, রাজ্যপাল যখন চার্জশিট দেওয়ার অনুমোদন দিলেন, তখন স্পিকার ভেরি মাচ অন হিজ সিট। রাজ্যপাল যেদিন মামলার চার্জশিটে তাঁর অনুমোদন দিলেন। তখন কিন্তু আমি স্পিকার পদে কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছি। এমন নয় যে, তখন স্পিকারের চেয়ারটি খালি ছিল। আমি যখন স্পিকার পদে রয়েছি তখন এক্ষেত্রে আমার অনুমতি নেওয়া অবশ্যই উচিত ছিল। এই কাজটা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি হয়েছে।'' পেশায় আইনজীবী বিমান আরও বলেন, ‘‘আমি জানি না রাজ্যপাল কীসের উদ্দেশ্যে এই বিষয়ে অনুমোদন দিলেন! এ বিষয়ে উনি নিজের মাইন্ড কতটা অ্যাপ্লাই করেছেন, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।"

গ্রেফতার জানালেন তৃণমূল সাংসদ

গ্রেফতার জানালেন তৃণমূল সাংসদ

সকাল থেকে নারদা-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সকাল সকাল তিন বিধায়ক এবং শোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান সিবিআই। একের পর এক তৃণমূল নেতাকে আটক করে নিয়ে আসা হয় নিজাম প্যালেসে। এরপরেই নিজাম প্যালেসে ছুটে আসেন তৃণমূলের একের পর এক আইনজীবী। আসেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অনিন্দ রাউতের মতো নেতারা। জানা যাচ্ছে, বেলা ১২টার সময় শোভন, ফিরহাদ, সুব্রত এবং মদন মিত্রকে আদালতে তোলা হবে। আর তাঁর আগে তৃণমূলের পালটা স্ট্যাটেজি কি হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইনজীবীরাও আদালতে সওয়াল করবেন। তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে এর লরাই হবে। ফিরহাদের আইনজীবী জানিয়েছেন, আমরা আদালতের কাছে আস্থাশিল। সেখানেই যা হওয়ার হবে

English summary
narada case speaker biman banerjee terms governor approval to cbi and arrest procedure illegal
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X