• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মহাপ্রভু চৈতন্যর জন্মস্থান নবদ্বীপ পেতে চলেছে হেরিটেজ তকমা

  • |

যে শহরে জন্মগ্রহণ করেন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু, যে শহর বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম তীর্থস্থান, সেই নবদ্বীপ শহর এবার পেতে চলেছে হেরিটেজ শহরের তকমা। নবদ্বীপ পুরসভা কর্তৃপক্ষর দাবি এই প্রথম রাজ্যের কোন শহর পেতে চলেছে হেরিটেজ শহরে র তকমা।

মহাপ্রভু চৈতন্যর জন্মস্থান নবদ্বীপ পেতে চলেছে হেরিটেজ তকমা

কবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নবদ্বীপ শহরকে হেরিটেজ শহর হিসেবে ঘোষণা করা হবে তা কয়েকদিন পর জানানো হবে। তবে নিয়ে চিঠি এসেছে পুরসভার কাছে। এই সঙ্গে হেরিটেজ শহর হিসেবে প্রথম কি পরিকল্পনা তা জানাতে বলা হয়েছে। নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন যে এই প্রাচীন শহরকে হেরিটেজ শহর হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এই জন্য কিছু কাজ করা হবে। এই শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বলা হয়েছে।

নবদ্বীপ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে যে এই পুরসভা স্থাপিত হয় 1869 সালে। তবে এই শহর হাজার বছরের বেশি পুরাতন। সেন রাজাদের আমলে (1159 থেকে 1206 সাল পর্যন্ত) বাংলার রাজধানী ছিল এই নবদ্বীপ। এই শহর ছিল প্রাচীন বাংলা তথা ভারতের শিক্ষাদানের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। সংস্কৃত শিক্ষাদানের জন্য অনেক টোল ছিল এখানে। নবদ্বীপ শহরকে বলা হয় বাংলার অক্সফোর্ড।

এই শহরেই 1486 সালে জন্মগ্রহণ করেন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু। এখান থেকেই বৈষ্ণব ধর্মের বিকাশ। নবদ্বীপ শহর ও তার ওপাশে মায়াপুর শহর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে চৈতন্য মহাপ্রভু ও বৈষ্ণব ধর্মের বিকাশের নানা নিদর্শন। আছে সংস্কৃতির ধারক ও বাহক নানা নিদর্শন। চৈতন্যর জন্মস্থান ও তার লীলাভূমি দেখতে নবদ্বীপ আসেন বহু মানুষ। এই বার এই শহর পাচ্ছে হেরিটেজ শহরে র তকমা। তার ফলে এই শহরের গুরুত্ব যেমন বাড়বে তেমনই সুপ্রাচীন এই শহরের আরও বেশি উন্নয়নের কাজ হবে মনে করছেন জেলার লোকজন।

English summary
Nabadwip to get heritage status
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more