দিলীপ একুশের ‘মুখ’ হলে মুকুল রায়ের অনুগামীরা কি সক্রিয় হবেন বিজেপিতে! বাড়ছে জল্পনা
২০২১-এর পরিকল্পনা রূপায়ণে যখন দিল্লিতে বৈঠক চলছে, তখন মুকুল রায় কলকাতায় ফিরে এসেছেন। তা নিয়ে জল্পনা তো চলছেই।
২০২১-এর পরিকল্পনা রূপায়ণে যখন দিল্লিতে বৈঠক চলছে, তখন মুকুল রায় কলকাতায় ফিরে এসেছেন। তা নিয়ে জল্পনা তো চলছেই। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে, যদি মুকুল রায় বঙ্গ বিজেপির কাছে গুরুত্ব না পান, মুকুল অনুগামী নেতারা কি বিজেপিতে সক্রিয় থাকবেন। মুকুলকে ছেড়ে দিলীপের কর্তৃত্ব তাঁরা কি মেনে নেবেন?

মুকুল সরলে অনুগামীরা বিজেপিতে কী করবেন!
মুকুল রায়ের সঙ্গে বিজেপির দূরত্ব এখন ক্রমেই বেড়ে চলেছে। মুকুল রায়ের যুক্তি আর ধোপে টিকছে না বিজেপিতে। ২০২১-এ তাই মুকুল রায়কে সাইডলাইনে রেখে দিলীপ ঘোষের উপরই পূর্ণ দায়িত্ব বর্তাতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, মুকুল রায় সরে গেলে তাঁর অনুগামীরা বিজেপিতে কী করবেন।

মুকুল অনুগামীদের সঙ্গে দিলীপের সখ্যতা কি হবে
মুকুল অনুগামীদের সঙ্গে দিলীপের সখ্যতা কতটা হয় তার উপর কিন্তু নির্ভর করবে অনেক কিছুই। মুকুল রায়ের কোনও পদ না মিললেও মুকুল অনুগামীরা প্রায় প্রত্যেকেই বিজেপিতে ভালো পদ পেয়েছেন। সব্যসাচী থেকে শুরু করে অর্জুন সিং, সৌমিত্র খান থেকে শুরু করে ভারতী ঘোষ- তাঁরা কী করবেন মুকুল রায় সাইডলাইন হলে!

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মুকুলের অনুগামীদের নিয়েও বিজেপি ভেবেছে। মুকুলকে পদ না দিয়ে মুকুলের অনুগামীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মুকুল রায় সাইডলাইন হলে তাঁর অনুগামীরা দু-বার ভাববেন দলে তাঁদের গুরুত্ব নিয়ে। কেননা বিজেপিতে গুরুত্ব হারালে তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

বিজেপির পক্ষে মঙ্গলদায়ক হবে না
আবার উল্টোও হতে পারে। মুকুলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁরা যদি দলে গাছাড়া মনোভাব দেন, ২০২১-এর আগে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, তবে তা বিজেপির পক্ষে মঙ্গলদায়ক হবে না। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন তাঁদের কাছে একটা সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনা তাঁরা হারাতে চাইবে না।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে দু-বার ভাববে
এমতাবস্থায় মুকুল অনুগামীদের নিয়ে পথ চলতে হবে দিলীপ ঘোষ। সেখানে পদে পদে ঠক্কর খেতে হতে পারে। আবার তার উপর মুকুল সাইডলাইন হলে তৃণমূল ভেঙে অন্য নেতারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে দু-বার ভাববে। সেটাও প্রভাব পড়বে বিজেপির উপর। তখন দিলীপ ঘোষের উপর চাপ পড়ে যাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

মুকুলের দিক থেকে মুখ ফেরালে বুমোরাং হতে পরে
মুকুলকে সাইডলাইন করে দেওয়া বিজেপির সংকট বাড়াবে বলেই অনুমান রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। বিজেপি যদি মনে করে থাকে মুকুল রায়কে দিয়ে তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকি কাজ দিলীপ ঘোষ এবং অন্যন্যরা করে দিতে পারবেন। তবে সেটা সুখকর হবে না বিজেপির কাছে। মুকুলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বুমোরাং হতে পরে।












Click it and Unblock the Notifications