প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে মুকুল রায়কে বিশেষ মন্ত্রক! অমিত-মুকুলের ২ দিনের বৈঠক ঘিরে নানা জল্পনা
রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানাতে সামনের সারিতে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু এরই মধ্যে বুধবার দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়।
রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানাতে সামনের সারিতে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু এরই মধ্যে বুধবার দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়। সেখানে বৃহস্পতি ও শুক্রবার অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। মুকুল রায়ের এবারের দিল্লি সফরে সঙ্গে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত।

মুকুল রায়কে গুরুত্ব
অমিত শাহের ডাকে দিল্লি গিয়েছেন মুকুল রায়। তাঁকে আলাদা করে ডেকে পাঠানো হলেও, মুকুল রায়ের গুরুত্ব বেড়েছে দলের সাংগঠনিক পরিবর্তনের সময় থেকেই। দলের বিভিন্ন শাখায় শীর্ষে মুকুল অনুগামীদের অনেকেই জায়গা করে নিয়েছেন।

বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা
সংবাদ মাধ্যমকে মুকুল রায় জানিয়েছেন, অমিত শাহের সঙ্গে বাংলায় বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন অমিত শাহরা বাংলাকে যথেষ্টই গুরুত্বর দিচ্ছেন।

মুকুল রায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব
তৃণমূল প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দল ছাড়ার আগে পর্যন্ত ঘাস ফুল শিবিরের অঘোষিত দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন মুকুল রায়। তৃমমূলের তরফে মুকুল রায় ২০০১, ২০০৬, ২০১১-র বিধানসভা ভোট কার্যত দলের তরফে পরিচালনা করেছিলেন। অন্যদিকে, ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর বামেদের তরফে রাজ্যে প্রশাসনিক বাধন কার্যত আলগা হয়ে যায়। অনেকেই বলেন, মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিকরা সেই সময় যথেষ্টই সাহায্য করেছিলেন। মুকুল রায়ের সেই সব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

মুকুল রায়ের খুঁটি শক্ত করতে চান অমিত শাহরা
বিধানসভা ভোটে ছোটাছুটি করতে হবে, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র। শুধু নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিলেই হবে না। সঙ্গে যদি ক্ষমতা না থাকে, তাহলে বিস্তর অসুবিধা। যা ২০০৯ সালের পর থেকে ২০১১ সালের মধ্যে দেখিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে ২ দিনের বৈঠকের পরে বিজেপির অন্দরে জল্পনা শুরু হয়েছে, মুকুল রায়কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিধানসভা ভোটের আগে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিস্তর অসুবিধায় ফেলতে পারবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যা হলে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসনের ওপর গেরুয়া প্রভাব বাড়ানোও অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications