মুকুল-কৈলাশ জুটির মা্স্টারস্ট্রোক! শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শহিদ-তর্পণে মাত তৃণমূলকে
মুকুল-কৈলাশ জুটির মা্স্টারস্ট্রোক! শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শহিদ-তর্পণে মাত তৃণমূলকে
মুকুল রায় আর কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র জুটি ফের ঝড় তুলে দিল কলকতায়। শহিদ পরিবারের সদস্যদের গোটা বাংলা থেকে জড়ো করে কলকাতায় শহিদ তর্পণ করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল তৃণমূলকে। পুলিশের বাধাকে উপেক্ষা করেই মুকুল-কৈলাশ দেখালেন তাঁদের রাজনৈতিক ঝাঁঝ। বাগবাজার থেকে সরে এসে গোলাবাড়ি ঘাটে পালিত হল তর্পণ-বিধি।

বিজেপি শহিদ তর্পণ পুলিশকে এড়িয়ে্ই
বিজেপি শহিদ তর্পণ করতে চেয়ে কলকাতা পুলি্শকে ই-মেল বার্তা পাঠিয়েছিল। তর্পণের জন্য নির্ধারিত দিলেন একদিন আগে বাগবাজার ঘাটে মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্দীয় নেতৃত্বে এই কর্মসূচির পালনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু কলকাতা পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি।

শহিদ-তর্পণ পালন মুকুল-কৈলাশের নেতৃত্বে
এরপর বিজেপি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেয়, পূর্বপুরুষের প্রতি তর্পণ শ্রদ্ধা জানানোর অধিকার প্রত্যেকের রয়েছে। তৃণমূলের প্রশাসন সেখানে বাধা দিতে পারে না। আমরা এই শহিদ-তর্পণ পালন করবই। তৃণমূলের হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সামিল হবেন এই কর্মসূচিতে।

বাগবাজার ঘাটে বাধা পুলিশের
কিন্তু এদিন সকাল থেকে বিজেপির এই কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা আঁচ করে কলকাতা পুলিশ বাগবাজার ঘাটে যাওয়ার পথে ব্যারিকেড করে দেয়। সেই ব্যারিকেডে আটকে পড়েন মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়দের নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া মিছিল। পুলিশ বাধার মুখে পড়ে মুকুল-কৈলাশরা তাঁদের কৌশল বদল করে।

মুকুল-কৈলাশরা কৌশল পরিবর্তন
বাগবাজারে বিজেপির মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে, তাঁদেরকে অন্যায়ভাবে আটকানো হয় বলে গর্জে ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর মুকুল-কৈলাশরা পথ পরিবর্তন করে চলে যান গোলাবাড়ি ঘাটে। সেখানে সমস্ত শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘাটে বসে শহিদ-তর্পণ করেন মুকুল রায়-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা।












Click it and Unblock the Notifications