• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মদ্যপ ছেলের অত্যাচার থেকে ‘নিষ্কৃতি’ পেতে ছেলেকে খুন করল মা, সাহায্য স্ত্রী-বোন-ঠাকুমারও

শিলিগুড়ি, ২৩ জানুয়ারি : মদ্যপ ছেলের অত্যাচার থেকে 'নিষ্কৃতি' পেতে ছেলেকে খুন করল মা। এই খুনের ঘটনায় মাকে সাহায্য করল নিহত যুবকের স্ত্রী, বোন ও ঠাকুমাও। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা শিলিগুড়ির আশিঘর এলাকায়। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের কাছে অভিযুক্তরা তা স্বীকারও করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম গোবিন্দ দাস (৩০)। তিনি পেশায় মাছ বিক্রেতা। প্রায়ই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকের উপর নির্যাতন চালাতেন এই গোবিন্দ। তাঁর অত্যাচারের সীমা প্রতিদিনই মাত্রা ছাড়াচ্ছিল। শেষপর্যন্ত অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ছেলেকে খুন করল মা। এই ঘটনায় তাকে সাহায্য করে স্ত্রী, বোন, ঠাকুমাও।

মদ্যপ ছেলের অত্যাচার থেকে ‘নিষ্কৃতি’ পেতে ছেলেকে খুন করল মা, সাহায্য স্ত্রী-বোন-ঠাকুমারও

পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, গোবিন্দ প্রায়ই বাড়িতে ফিরে টাকা দাবি করত। আর মদ খাওয়ার ওই টাকা না দিলেই শুরু হত অকথ্য অত্যাচার। রবিবার রাতেও বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে। কয়েকদিন আগেই ৩০ হাজার টাকার দাবিতে বাবাকে মারধর করেছে গোবিন্দ। এদিন বাবা ছিল না, বাড়ির অন্যান্যরাই হয়ে তাঁর টার্গেট।

প্রথমে একটি দড়ি নিয়ে আত্মহত্যা করার জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন। দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁসও লাগিয়ে দেন গোবিন্দ। তাঁকে আত্মহত্যায় বাধা দিতে যায় মা-বোন-স্ত্রী-ঠাকুমারা। কিন্তু তারপরও অত্যাচার থামেনি। মারধর শুরু করে গোবিন্দ। তখনই গলায় লাগানো দড়ির ফাঁস টেনে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর দড়িটি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। গোবিন্দ আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে জানায় গোবিন্দর পরিবারের সদস্যরা। পরে তারা পুলিশি জেরায় স্বীকার করে নেয় এই খুনের ঘটনা।

English summary
Mother killed her son to save family from his torture. Wife, Sister and grandmother is also accused.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more