• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    মেয়ের নামে নালিশ! মাথায় রাগ উঠে গিয়েছিল, শেষে মায়ের হাতেই করুণ পরিণতি

    মেয়েকে শাসন করতে গিয়ে যে এমনটা ঘটে যাবে ভাবেননি মা। মুহূর্তেই করুণ পরিণতি হল একরত্তি শিশুর। প্রতিবেশী নালিশ জানিয়েছিল বছর ছয়েকের ঋতিকার নামে। মা তাই শিশুকে শাসন করতে হাতে তুলে নিয়েছিলেন লাঠি। লাঠির আঘাতে শিশুকে প্রহারেই মর্মান্তিক পরিণতি হল। । মায়ের প্রহারে মৃত্যু হল বছর ছয়েকের মেয়ে ঋতিকার।

    মেয়ের নামে নালিশ শুনেই মাথায় রাগ উঠে গিয়েছিল, শেষে মায়ের হাতেই করুণ পরিণতি

    জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির গোবিন্দ পল্লিতে শিশুকে হারিয়ে হাহাকার করে চলেছে মা। নিজের হাতেই কি না শেষ করে দিলেন শিশুকন্যাকে। শাসন করতে গিয়ে এমনটা ঘটে যাবে ভাবেননি তিনি, ভাবেননি প্রতিবেশীরাও। পিঠে লাঠির আঘাত পড়তেই সংজ্ঞা হারিয়েছিল ঋতিকা। কিছুতেই জ্ঞান ফিরছিল না। তারপর তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। হাসপাতালে যাওয়ার পরই নিভে গেল শেষ আশার প্রদীপও।

    [আরও পড়ুন:দিল্লিতে চলন্ত বাসে ছাত্রীর সামনে বসে হস্তমৈথুন! পরের ঘটনা আরও চমকপ্রদ ]

    খেলতে খেলতে প্রতিবেশী এক বন্ধুকে লাঠি দিয়ে খোঁচা দিয়েছিল ঋতিকা। সেই অভিযোগই করতে এসেছিলেন প্রতিবেশী। মেয়ের নামে অভিযোগ শুনেই মেজাজ হারান রূপালি। মা লাঠি দিয়ে আঘাত করতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ছ-বছরের মেয়ে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। গোবিন্দপল্লিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

    [আরও পড়ুন:মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে তুলে আছাড় ১১ মাসের শিশুকে, মর্মান্তিক-কাণ্ড গোপালনগরে ]

    English summary
    Mother beats daughter and she is died after beating at Jalpaiguri.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more