• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লকডাউন পরবর্তী সময়ে মানবপাচার বাড়ার আশঙ্কায় উৎকন্ঠায় দেশের সিংহভাগ এনজিও

  • |

যৌনপেশায় নামানোর জন্য হোক বা ভিক্ষাবৃত্তি, জোর করে বিয়ে দেওয়া হোক বা বন্ডেড লেবার, সমস্ত কাজের জন্যই দেশজুড়েই ক্রমেই বাড়ছে মানব পাচারের পরিমাণ। শুধু মেয়েরাই নয়, বিপদ বেড়েছে ছেলেদেরও। আর এই বিষয়েই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য-সচিব ও ডিজিকে ৬ই জুলাই একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু এমতাবস্থায় লকডাউন পরবর্তী সময়ে গোটা দেশজুড়েই মানবপাচার বহুলাংশে বেড়ে যাবার আশঙ্কা করছে এনজিওগুলি।

ভয়ানক আশঙ্কা করছে দেশের ৮৯ শতাংশ এনজিও

ভয়ানক আশঙ্কা করছে দেশের ৮৯ শতাংশ এনজিও

সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে দেশের প্রায় প্রায় ৮৯ শতাংশ এনজিও এই আশঙ্কা করছে বলে জানা যাচ্ছে। বেশিরভাগ এনজিও-র মত লকডাউন পরবর্তী সময়ে দ্রারিদ্র সীমার নীচে চলে যাওয়া পরিবার ও তীব্র অর্থ কষ্টে থাকা পরিবার গুলির প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা, পুরুষ ও শিশুদের একটা বড় অংশ বন্ডেড লেবার হিসাবে অন্যত্র পাচার হয়ে যেতে পারে।

 কি বলছে কৈলাশ সত্যার্থী শিশু ফাউন্ডেশন ?

কি বলছে কৈলাশ সত্যার্থী শিশু ফাউন্ডেশন ?

কৈলাশ সত্যার্থী শিশু ফাউন্ডেশন পরিচালিত এই সমীক্ষায় আরও একাধিক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসছে বলে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে দেশের ৭৬ শতাংশ এনজিও মনে করছে দেহ ব্যবসার জন্য মানবপাচার ও যৌনকর্মের জন্য মানবপাচার লকডাউন পরবর্তী পর্যায়ে বহুলাংশে বেড়ে যাবে। এই অবস্থা ঠেকাতে গ্রামীণ স্তরে কড়া প্রশাসনিক নজরদারি ও জনসচেতনা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান কৈলাশ সত্যার্থী শিশু ফাউন্ডেশনের আধিকারিকেরা।

অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট গঠনের নির্দেশ কেন্দ্রের

অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট গঠনের নির্দেশ কেন্দ্রের

এদিকে চলতি মাসেই কেন্দ্রের পাঠানো নির্দেশিকায় মানব-পাচার রোধে প্রতিটি রাজ্যকেই বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করার কথা বলা হয়েছে। প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারকেই অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট বা এএইচটিইউ গঠনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকা দিয়ে মানবপাচার রোধে বিএসএফ ও এসএসবির ক্ষেত্রেও এএইচটিইউ তৈরির কথা বলা হয়েছে।

লকডাউনের জেরে স্কুলছুটের পরিমাণ বেড়েছে

লকডাউনের জেরে স্কুলছুটের পরিমাণ বেড়েছে

এদিকে সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে গ্রামীণ এলকায় চরম দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী পরিবারগুলির মধ্যে ২১ শতাংশ পরিবার তাদের বাড়ির বাচ্চাদের শিশুশ্রমের জন্য ভিন রাজ্যে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত। একইসাথে শিশুদের মধ্যে য়ে অংশটা এতদিন স্কুলে যেত লকডাউনের ফলে তাদের ২০ শতাংশের স্কুলছুটের পরিমাণও বহুলাংশে বেড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

পার্টি অফিস থেকেই কি চলছে প্রশাসন! অনুব্রতর লকডাউনের দিন ঘোষণা, পরে বিজ্ঞপ্তি জেলা শাসকের

রাহুল সিনহাকে কটাক্ষ করলেন অনুব্রত মন্ডল

English summary
Most of the NGOs fear that human trafficking will increase after the lockdown
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X