• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৩০০-র বেশি দেবদেবীর পুজোই রীতি নবদ্বীপের রাস উৎসবে

  • By Sanjay
  • |

নবদ্বীপ ১৪ নভেম্বর: নবদ্বীপের রাস উৎসবে তিন শতাধিক শাক্ত দেব-দেবীর পুজোই ঐতিহ্য রাস পূর্ণিমায়। রাস উৎসব ঠিকই, তবু নবদ্বীপে শাক্ত দেবদেবীর তুলনায় রাধাকৃষ্ণ এবং অন্যান্য বৈষ্ণব মূর্তির সংখ্যা নেহাতই কম। তাই নবদ্বীপের রাসকে শাক্ত রাস বলে আখ্যায়িত করা হয়! এবার নবদ্বীপের রাস উৎসবে সেইসব প্রতিমাসজ্জায় বৈচিত্রের পাশাপাশি লেগেছে থিমের চমকও। রাসের শহর নবদ্বীপ সেজে উঠেছে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলায়। রাধাকৃষ্ণের ঐতিহ্যবাহী নবদ্বীপের রাস উৎসবকে আকর্ষণীয় করতে পুজো উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ তো আছেই, একমাস ব্যাপী এই উৎসবে মাতোয়ারা নবদ্বীপের নিরাপত্তাতে সেজে উঠছে পুলিশও।
রাসের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে একমাস আগে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন পাটা পুজোর মাধ্যমে নবদ্বীপের রাস উৎসবের প্রারম্ভিক সূচনা হয়। শুরু হয়ে যায় থিম-ভাবনা। রাস উৎসবকে আকর্ষণীয় করে তোলার প্রয়াসে নামেন বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তারা। রাস উৎসব শুরু আজ পূর্ণিমা থেকে, এই পূর্ণিমা তাই রাস পূর্ণিমা নামেই খ্যাত। শুধু রাধা-কৃষ্ণের পুজোই নয়, এমন কোনও দেবদেবী নেই যে নবদ্বীপের রাস উৎসবে পূজিত হন না। সেইসঙ্গে থাকে আলোকসজ্জার রকমারি। একমাস ভর আলো ঝলমলে পরিমণ্ডলে একেবারে অন্যরকম নদিয়ার এই শহর।

৩০০-র বেশি দেবদেবীর পুজোই রীতি নবদ্বীপের রাস উৎসবে

রাধিকা এবং গোপিনীদের সঙ্গে কার্তিক পূর্ণিমার এই বিশেষ তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের নৃত্যগীত উৎসবকে রাসযাত্রা বলা হয়। প্রাচীন কাল থেকে রাসযাত্রা বৈষ্ণবদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। তবে শ্রীচৈতন্যের স্মৃতিবিজড়িত বৈষ্ণবধাম নবদ্বীপের রাস উৎসব একেবারেই ব্যতিক্রমী। প্রায় ২৫০ বছরের বেশি সময় বছর ধরে, নবদ্বীপে রাস উৎসব হচ্ছে একেবারেই অন্য আঙ্গিকে।
নবদ্বীপের রাসে কয়েক লক্ষ বহিরাগত দর্শনার্থী আসেন। নবদ্বীপের বিধায়কের উদ্যোগে সম্প্রতি আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ চালু হওয়ায় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের আশাপূরণ হয়েছে। ফলে রাসের সময় লোডশেডিং হবে না। রাস এলেই উন্নয়নযজ্ঞ চলে। রাস্তাঘাট মেরামত, জলের কল মেরামত হয়। শিবির, যাত্রীনিবাসের কাজও সম্পূর্ণ।
পুজো ছাড়াও বিভিন্ন সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান, সমাজসেবামূলক কাজও করে থাকেন পুজো উদ্যোক্তারা। সরকারপাড়ার নিশান ক্লাব রাধা-কৃষ্ণের সঙ্গে একই মণ্ডপে নটরাজ ও গঙ্গামাতার পুজো করছে। ফাঁসিতলার কৃষ্ণকালী মাতা বারোয়ারির পুজো হয়। বাঁধরোডের সারদা সংঘে হচ্ছে মা চণ্ডীর পুজো।
দক্ষিণাঞ্চলের বিবেকানন্দ কলোনি ও বিশ্বাসপাড়ার মহিলারা নটরাজের পুজো করেন। কুটিরপাড়ার মুক্তিসূর্য ক্লাবের প্রতিমা 'ভারতমাতা'র আদলে। ভারতমাতার সঙ্গে নবদ্বীপের ঐতিহ্য শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও পুরীর জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার প্রতিমাতেও সাজিয়ে তোলা হয় মণ্ডপ। শ্রীবাস অঙ্গনপাড়ার প্রাচীন পুজোয় বিন্ধ্যবাসিনী মাতার আরাধনা। রাস উৎসবকে নবদ্বীপের গর্ব মনে করেন বাসিন্দারা।
নবদ্বীপের রাসকে আরও সম্মানজনক উৎসবে পরিণত করাই এলাবাসীর উদ্দেশ্য। নবদ্বীপের রাসের উৎস ঠিক কবে, তা নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে (১৭২৮-৮২) রাসের সূচনা হয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন। নানা সমস্যায় জর্জরিত কৃষ্ণচন্দ্র সঙ্কটমুক্ত হওয়ার পর মঠমন্দির স্থাপন, নানা মেলা-উৎসবের সূচনা করেন। ১৭৫৩-৫৬-র মধ্যে তিনি জগদ্ধাত্রীপুজো, বারোদোলের সূচনা করেন বলে জানা যায়। ওই একই সময়ে তিনি নবদ্বীপে বৈষ্ণবদের রাস উৎসবের খোলনলচে বদলে দেন নতুন আঙ্গিকে রাস উৎসব শুরু করেন বলে জানা গিয়েছে।
কৃষ্ণচন্দ্রের আগে নবদ্বীপের বৈষ্ণবীয় রাসের ছবিটা ছিল অন্য রকম। ১৫৩৩-এ চৈতন্যদেবের তিরোধানের একশো বছরের মধ্যে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মে বহু গোষ্ঠীর আবির্ভাব হয়। নানা সম্প্রদায়, গোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ শেষ পর্যন্ত বিদ্বেষে পরিণত হয়। সেই সময়ে রাসপূর্ণিমার দিন পটুয়াদের দিয়ে বড় বড় পট আঁকিয়ে মঠে-মন্দিরে প্রদর্শন করা হত। বড় বড় কাঠের চাকা তৈরি করে তার মাঝখানে রাধাকৃষ্ণকে বসিয়ে চারপাশে অষ্টসখীর মূর্তি বসানো হত। আর ধীরে ধীরে সেই চাকাটি ঘোরানো হত। একে বলা হত 'চক্ররাস'। পরে সেই উৎসব নতুন আঙ্গিকে প্রতিভাত হয় রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আমলে।

lok-sabha-home
English summary
More than 300 gods worship in Nabadwip rash
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X

Loksabha Results

PartyLWT
BJP+8346354
CONG+38790
OTH89098

Arunachal Pradesh

PartyLWT
BJP33033
JDU178
OTH3811

Sikkim

PartyWT
SKM01717
SDF01515
OTH000

Odisha

PartyLWT
BJD7537112
BJP17623
OTH8311

Andhra Pradesh

PartyLWT
YSRCP0150150
TDP02424
OTH011

-
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more