বাংলার জন্য স্বস্তির খবর! প্রথম দফায় বকেয়ার ৩২৮ কোটি টাকা মেটাতে চলছে মোদী সরকার
West Bengal Health Department: ১০০ দিনের কাজের টাকা সহ একাধিক প্রকল্পের টাকা এখনও কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া রয়েছে! এই ইস্যুতে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি দিল্লিতে ধর্নায় বসেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু বারবার দাবি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।
যদিও কেন্দ্রের দাবি সমস্ত বকেয়া মেটানো হচ্ছে। এই অবস্থায় সম্প্রতি অর্থমন্ত্রকের কাছে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এর মধ্যেই বাংলার স্বাস্থ্য খাতে বকেয়ার ৩২৮ কোটি টাকা মেটাতে চলেছে মোদী সরকার। যা খুবই স্বস্তির খবর বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের খাতে বাংলার জন্য বরাদ্দ এই অর্থ ইতিমধ্যেই মঞ্জুর করা হয়েছে। যদিও স্বাস্থ্যখাতে রাজ্যের বকেয়া কেন্দ্রের কাছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। কিন্তু প্রথম দফায় ৩২৮ কোটি টাকা মেটানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে বাকি টাকা কবে মেটানো হবে তা এখনও স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে সুত্রের খবর, খুব শীঘ্রই এই টাকা দেওয়া হতে পারে বাংলাকে।
অন্যান্য প্রকল্পের পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতেও রাজ্যের প্রাপ্য আটকে ছিল। এই বিষয়ে গত এক বছরে একাধিক চিঠি নবান্নের তরফে কেন্দ্রকে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকেও দেওয়া হয়েছে চিঠি। কিন্তু তা মেটানো হয়নি। এক্ষেত্রে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার একাধিক কাজ আটকে ছিল। এমনকি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজানোর কাজও ব্যহত হচ্ছিল বলে দাবি স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একাংশের। বলে রাখা প্রয়োজন, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের চুক্তি মানা হচ্ছে না। এই বিষয়ে গত বছর রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে মোদী সরকার।
চুক্তি অনুযায়ী একটি রঙ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ সামনে আসে। শুধু তাই নয়, নীল-সাদা রঙ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ সামনে আসেন। যা নিয়ে খোদ ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে দেন। আর এই সংঘাতের আবহেই সুষ্ট স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অভাবে সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। এই অবস্থায় বকেয়া বরাদ্দ কিছুটা মেটানো বিভিন্ন কাজে গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করেন নির্মলা সীতারমন। সেভাবে বাংলার জন্য তেমন কোনও বরাদ্দ করা হয়নি। যা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications