বিজেপিতে পা বাড়িয়ে থাকা তৃণমূলের বিধায়ক-সাংসদের সংখ্যা বাড়ছে, পাল্টা মিঠুনের
বাংলায় ভোটের পদধ্বনি শোনা যেতেই দলবদলের জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছিল। প্রথমে বিজেপির তৃণমূলে ভাঙন ধরানোর বার্তার পরই অভিষেক কাঁথির জনসভা থেকে বার্তা দিয়েছিলেন দরজা ফাঁক করার।
বাংলায় ভোটের পদধ্বনি শোনা যেতেই দলবদলের জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছিল। প্রথমে বিজেপির তৃণমূলে ভাঙন ধরানোর বার্তার পরই অভিষেক কাঁথির জনসভা থেকে বার্তা দিয়েছিলেন দরজা ফাঁক করার। আর তারপর বিজেপির বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের জল্পনা। তার পাল্টা মিঠুন চক্রবর্তীকে ফের সামনে নিয়ে এল বিজেপি।

সম্প্রতি বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতির একটি ছবি ভাইরাল হয়। বিতর্কিত ওই ছবিকে কেন্দ্র করে বিজেপির ভাঙন জল্পনা যখন প্রবলভাবে উঠতে শুরু করেছে, তৃণমূল প্রচার চালাচ্ছে বিজেপির দুই বিধায়ক ছাড়া বেশ কয়েকজ নেত্রীও সেদিন ছিলেন অভিষেকের অফিসে বৈঠকে, তখন মিঠুন পাল্টা দিলেন তৃণমূলকে।
বিজেপি বিধায়ক নেতা-নেত্রীরা যখন আগামী মাসেই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন রটছে. তখন ময়দানে নেমে মিঠুন চক্রবর্তী তৃণমূলে বিরাট ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন। মিঠুনের পাল্টা শুধু দিল্লির গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা। তারপরই তৃণমূলে ভাঙন ধরতে শুরু করবে।
এর আগে মিঠুন বলেছিলেন অন্তত ২১ জন তাঁর সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখে। আর এদিন বললেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাঁরা পা বাড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের মধ্যে শুধু বিধায়ক নন, আছেন সাংসদরাও। বেশ কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ এবার বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনার পারদ চড়িয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী।
মিঠুনের কথায়, দিল্লির সবুজ সংকেত পেলেই বিজেপি তাঁদের যোগদান করাবে। এর আগে রাজ্যে প্রচারে এসে বিজেপির কর্মসমিতির সদস্য মিঠুন দাবি করেছিলেন একুশ জনেরও বেশি বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। অন্তত ৩০ জন বিধায়ক দলবদল করতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল বিজেপি।
শুধু মিঠুন চক্রবর্তী নন, একই সুরে সুর মিলিয়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালও বলেছিলেন ৪০ জন বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের একে জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষ যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে।
অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ নেতা বিপ্লব ওঝা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। বীরভূমের নলহাটিতে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় গিয়ে তিনি বিজেপি পতাকা তুলে নেন। সকালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন। বিকেলে যোগ দেন বিজেপিতে। তৃণমূল এর পর সক্রিয় হয়। অভিষেক জানান, সময় হলেই দরজা খুলবে তৃণমূল। অপেক্ষা করুন।
আর এরই মধ্যে অভিষেকের দফতরে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক ঘিরে জল্পনা চলচে রাজ্য রাজনীতিতে। মিঠুন আবার তার পাল্টা জানিয়েছেন, এখন আর ২১ জন নন, সংখ্যাটা অনেকটা বেড়েছে। বিধায়কদের সঙ্গে সাংসদরাও আসতে চাইছেন বিজেপিতে। তবে এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ রাজ্য বিজেপি নেতাদের।












Click it and Unblock the Notifications