বিপর্যস্ত মিরিক পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে দিলেন বড় আশ্বাস
উত্তরবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের কবলে পড়া এলাকাগুলিতে পরিদর্শন সারছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৪ এবং ৫ অক্টোবর প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও ভূমিধস হয়, অনেকের মৃত্যুও ঘটেছে।
দুর্গত জেলাগুলিতে রাজ্য সরকার ব্যাপক ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আজ মিরিক গিয়েছিলেন। ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। কাল রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

এর আগে, মুখ্যমন্ত্রী গত রবিবার আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এবং গতকাল জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি ও ময়নাগুড়ির পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। তিনি ধূপগুড়ির বিধায়ক, পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ও পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ মুখ্যমন্ত্রী মিরিকে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি পরিদর্শন করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং একটি ত্রাণ কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি চারজন ক্ষতিগ্রস্তের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৫ লাখ টাকা করে চেক তুলে দেন। এ ছাড়া, সুখিয়াপোখরিতে নিহতদের স্বজনদের কাছে ১০টি স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরির বন্দোবস্ত করেন।
তিনি কার্শিয়াং থেকে মিরিক পর্যন্ত পুরো রাস্তা ব্যক্তিগতভাবে পরিদর্শন করেন এবং পূর্ত বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত পুনরুদ্ধার কাজগুলি পর্যবেক্ষণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন যে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি বাড়ির পুনর্নির্মাণের জন্য ১.২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র পুনরায় ইস্যু করার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সুবিধার্থে বিশেষ শিবির আয়োজন করা হচ্ছে। বন্যায় যাদের বইপত্র ও অন্যান্য পড়াশোনার সামগ্রী নষ্ট হয়েছে, সেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলছে এবং সব স্তরে ২৪x৭ নিয়ন্ত্রণ কক্ষগুলি কাজ করছে কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য কারিগরী, পূর্ত বিভাগ (PWD), স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, সেচ ও জলপথ, ARD, এবং বন বিভাগের মতো সংস্থাগুলি দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করার জন্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের নিরাপত্তা, পুনর্বাসন এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রী জিটিএ সদর দপ্তরে এক বৈঠকে মিরিক, কালিম্পং এবং দার্জিলিং-এর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।
-
উত্তরের কোচবিহার দিয়ে নতুন করে বাংলায় ভোটপ্রচার শুরু প্রধানমন্ত্রী মোদীর -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা











Click it and Unblock the Notifications