• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাজস্থানী শ্রমিকদের পাঠাতে নারাজ মমতা, ঝালোরে ফিরল খালি বাস

রাজ্যে আটকে থাকা রাজস্থানী শ্রমিকদের পাঠাতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫০০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে ফেরাতে বাস পাঠিয়েছিল রাজস্থান সরকার। মরু শহর ঝালোরে খালি ফিরল বাসগুলি। ১৫টি বাস পাঠিয়েছিল রাজস্থান সরকার। মমতা সরকারের এই আচরণে বেজায় রুষ্ট গেহলট সরকার।

রাজস্থানী শ্রমিকদের পাঠাতে নারাজ

রাজস্থানী শ্রমিকদের পাঠাতে নারাজ

রাজ্যে আটকে থাকা ৫০০ রাজস্থানী শ্রমিক। লকডাউনে দেশে ফিরতে চান তাঁরা। তৃতীয় দফার লকডাউনের পর গোটা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তাতেই রাজস্থান সরকার কলকাতায় আটকে থাকা ৫০০ পরিযায়ী শ্রমিককে ফেরাতে ১৫টি বাস পাঠিয়েছিল। কিন্তু তা জানাতে দুদিন দেরি করে ফেলে গেহলট সরকার তাতেই রুষ্ট হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজস্থানী শ্রমিকদের পাঠানোর অনুমতি দেননি। ১৫ টি বাস খালি রাজস্থানের ঝালোরে ফিরে গিয়েছে। মমতার এই আচরণে অতন্ত রুষ্ট হয়েছে গেহলট সরকার।

মহারাষ্ট্র থেকে শ্রমিক ফেরাতে নারাজ

মহারাষ্ট্র থেকে শ্রমিক ফেরাতে নারাজ

মহারাষ্ট্রে আটকে থাকা বাংলার শ্রমিকদের ফেরানো নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা সরকার মহারাষ্ট্রে আটকে থাকা বাংলার শ্রমিকদের ফেরাবেন না বলে জানিয়েছে। যার অন্যতম কারণ করোনা সংক্রমণ। মহারাষ্ট্রে যেহেতু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি তাই সেখান থেকে শ্রমিকদের ফেরালে রাজ্য সংক্রমণ বাড়তে পারে সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

শ্রমিকদের আটকাল কর্নাটর

শ্রমিকদের আটকাল কর্নাটর

এদিকে কর্নাটক সরকারও বিহারের শ্রমিকদের থেকে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। তাই বাতিল করা হয়েছে তিনটি শ্রমিক ট্রেন। ইয়েদুরাপ্পা সেখানে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের অনুরোধ করেছেন কয়েকদিনের মদ্যেই কাজ শুরু হবে তাই তাঁরা যেন এখন দেশে ফিরে না যান। সব ঠিক হলে তবেই যেন দেশে ফেরেন।

রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে : অর্জুন সিং

{quiz_79}

English summary
Mamata government refuse to send back Rajasthani migrant labour
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more