নবান্ন থেকে নিশানা অমিত শাহকে! পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ধোকলা খাওয়ার আবদার মমতার
নবান্ন থেকে নিশানা অমিত শাহকে! পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ধোকলা খাওয়ার আবদার মমতার
নবান্ন থেকে অমিত শাহকে (amit shah) নিশানা। আর তার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) জানান, তাঁকে এত খবর দিলে তিনি, তার বদলে ধোকলা খাওয়ার আবদার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি গুজরাতি খাবার খেতে ভালবাসেন।

বাংলাই এগিয়ে, দাবি মমতার
সোমবারের পর মঙ্গলবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের প্রকাশিত তথ্য পেশ করে দাবি করলেন, ভারতে বাংলাই এগিয়ে। সোমবারও তিনি বলেছিলেন, রাজ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে দেশের একনম্বর। এদিন তিনি বলেন, দারিদ্রদূরীকরণ, ১০০ দিনের কাজ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, মাইনরিটি স্কলারশিপে একনম্বরে রয়েছে বাংলা। তিনি দাবি করেন বাংলায় যেমন রাজনৈতিক হত্য কমেছে, ঠিক তেমনই কমেছে মহিলাদের ওপর অত্যাচার।
প্রসঙ্গত এবার রাজ্যে আসার পর অমিত শাহ বিভিন্ন বিষয়ে আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। আয়ুষ্মাণ ভারত এবং পিএম কিষাণ প্রকল্প থেকে রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তিনি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ ছিল, গত দেড় বছরে ৩০০ বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো খাদ্যশস্য লুট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন অমিত শাহ। পাশাপাশি বাংলার আইনশৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ করেছিলেন, জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনার উল্লেখ করে।

গুজরাতি খাবার ভাল বাসেন
মুখ্যমন্ত্রী এদিন শুরুতে বলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তথ্য না থাকতেই পারে। তাঁরও (মমতা) ভুল হয়। তবে তিনি তা শুধরে নেন। জেনে নিয়ে বলা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্য পেশ করে তিনি সাংবাদিক বৈঠকের শেষে বলেন, এত খবর দিলেন, তার জন্য অমিত শাহের কাছে ধোকলা খাওয়ার আবদার রেখে বলেন, তিনি গুজরাতি খাবার খেতে ভাল বাসেন।

টয়লেট ব্যবহারের আমন্ত্রণ
রাজ্যে অনুন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে অমিত শাহ অভিযোগ করেছিলেন ১০ শতাংশ স্কুলে এখনও বিদ্যুত নেই। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এরও জবাব দিয়েছেন। ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যে পর্যান্ত সংখ্যা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, অমিত শাহ বাংলার যেকোনও স্কুলের টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্যানিটাইজ করে তারপর তা ব্যবহার করতে দেবেন। যদিও স্কুলের টয়লেট নিয়ে কোনও মুখ্যমন্ত্রী কি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এমন কথা বলতে পারেন কিনা, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications