মিশন ২০২০-তে নয়া পরিকল্পনা তৃণমূলের! বুথে একজন করে মহিলা কর্মী চাই
দলে মহিলাদের আরও সংগঠিত করতে চাইছে তৃণমূল। এই মহিলা বাহিনীকে দিয়েই এবার পুরভোটে জয় হাসিল করতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের দল।
দলে মহিলাদের আরও সংগঠিত করতে চাইছে তৃণমূল। এই মহিলা বাহিনীকে দিয়েই এবার পুরভোটে জয় হাসিল করতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের দল। তিনি দলীয় বৈঠকে এই মর্মে বার্তা দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করে জানিয়ে দিয়েছেন, পুর এলাকার প্রতিটি বুথ থেকে অন্তত একজন করে মহিলাকর্মীকে তুলে আনতে হবে।

সংগঠনে নারী-শক্তি বাড়াতে
তৃণমূল চাইছে সংগঠনে নারী-শক্তি বাড়াতে। একইসঙ্গে তারা চাইছে সরকারে উন্নয়নমূলক কাজ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। আর সেই কাজটা অর্থাৎ মানুষের হেঁসেলে সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজটা মহিলাদের থেকে ভালো কেউ করতে পারে না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীজের কাজে লাগিয়ে তাই মহিলা-শিশু কল্যাণে সরকারের কাজ ঘরে পৌঁছে দিতে চান মমতা।

পুরসভা এলাকা থেকে অন্তত একজন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশ পেয়ে দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রতিটি জেলার পুরসভা এলাকা থেকে অন্তত একজন মহিলা কর্মীর নাম দিতে হবে। প্রতিটি বুথের ওই ন্যূনতম একজন করে মহিলাকে নিয়ে কর্মিসভা করা হবে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে।

অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদেরও এগিয়ে আসতে হবে
এছাড়া তিনি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে মহিলা-শিশু কল্যাণে যাবতীয় উন্নয়ন ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। মমতার সরকারের উন্নয়নকে হেঁসেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তৃণমূল অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদেরকেই বেছে নিয়েছেন চন্দ্রিমা।

মহিলারা আরও বেশি সক্রিয় সংগঠনে
এই দুই কর্মসূচির মাধ্যমে মহিলাদের আরও বেশি সক্রিয় করে তৃণমূলের সংগঠনকে মজবুত করাই লক্ষ্য। যাতে সরকারের কাজ বেশি করে মানুষের চোখে পড়ে এবং মহিলাদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা যায়, তার জন্যই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কীভাবে এই প্রচার চলবে, তার জন্য ২৪ নভেম্বর দক্ষিণবঙ্গের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়ে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications