মমতার এক চালে মাত ‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’! রাজ্য রাজনীতিতে কি বড় চমকের অপেক্ষা

মমতার এক চালে মাত ‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’! রাজ্য রাজনীতিতে কি বড় চমকের অপেক্ষা

২০২১ বিধানসভা নির্বাচন ও আসন্ন পুরসভা নির্বাচনের আগে এক মোক্ষম চাল দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই চালে একে একে বিরোধী হেভিওয়েটরা মাত হয়ে যেতে শুরু করেছেন। কেউই তৃণমূল সুপ্রিমোর বোড়ের চালের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছেন না। ফলে দান জিতছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। সম্প্রতি এমনই নজির দেখা গেল রাজ্য রাজনীতিতে।

মমতার চালে কুপোকাত পোড়খাওয়া নেতা

মমতার চালে কুপোকাত পোড়খাওয়া নেতা

করোনার আবহে পিছিয়ে গিয়েছে পুরভোট। ঠিক সেই সময়েই প্রশাসক পদ নিয়ে যে খেলাটা খেললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে, কুপোকাত হয়ে গেলেন ‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী'ও। অশোক ভট্টাচার্যের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদও নতি স্বীকার করলেন মমতার ধুরন্ধর রাজনীতির কাছে। সামান্য এক বোড়ের চালেই মাত দিলেন তিনি।

নরম হয়ে গেলেন, স্রেফ দাবার চালে

নরম হয়ে গেলেন, স্রেফ দাবার চালে

শিলিগুড়ির সদ্য প্রাক্তন মেয়র তথা বাম সরকারের আমলের পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও পরিচিত হতেন একটা সময়। কোনও সন্দেহ নেই তিনি এক পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ। তাঁর মতো হেভিওয়েটও মমতার প্রতি নরম হয়ে গেলেন, স্রেফ দাবার চালে। ঠিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলে রে রে করে উঠতেন, তিনি এখন স্পিকটি নট।

আর ট্যাঁ-ফুঁ করতে পারছেন না অশোক

আর ট্যাঁ-ফুঁ করতে পারছেন না অশোক

শিলিগুড়ির মেয়র প্রশাসক হয়েই শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে নরম সুরে কথা বলছেন। তা নিয়েই রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনার পারদ চড়েছে। মমতা এক চাল দিয়েই বিরোধী কণ্ঠ হরণ করে নিয়েছেন। এখন আর ট্যাঁ-ফুঁ করতে পারছেন না অশোক ভট্টাচার্য। তাঁর তৃণমূলের প্রতি এই দুর্বলতার পিছনে অন্য কারণও খুঁজতে শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক মহল।

প্রশাসক হয়েই নরম ও সহিষ্ণু অশোক

প্রশাসক হয়েই নরম ও সহিষ্ণু অশোক

রাজ্যের তৃণমূল সরকারের তরফে সিপিএমের মেয়রের নাম প্রশাসক পদে প্রস্তাব করা হয়। তারপর দীর্ঘ টালবাহানার পর অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক পদ গ্রহণ করেন। দলের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রশাসক পদ নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সিপিএমকে। সেটা নিয়ে এখন আর কোনও ছুঁৎমার্গ নেই, এখন আলোচনা তৃণমূলের প্রতি অশোক ভট্টাচার্যের নরম ও সহিষ্ণু মনোভাব নিয়ে।

কৃতজ্ঞতার সুর যখন বলিষ্ঠ বিরোধী কণ্ঠে

কৃতজ্ঞতার সুর যখন বলিষ্ঠ বিরোধী কণ্ঠে

প্রশাসক হওয়ার পর বারবার কৃতজ্ঞতার সুর অশোক ভট্টাচার্যের মতো বলিষ্ঠ বিরোধী কণ্ঠে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। কোনও আক্রমণ শানানো তো দূরে থাক, তৃণমূলের কোনও সমালোচনাও তিনি করছেন না। তাতেই প্রশ্ন মমতার প্রতি কি কৃতজ্ঞ হয়ে উঠেছেন অশোক ভট্টাচার্য? তাঁকে শিলিগুড়ি পুরসভায় প্রশাসক পদে বসানোর ঋণ শোধ করছেন কী এভাবেই?

জল্পনা উড়িয়ে অশোক-ভাষ্যে নিশানায় যাঁরা

জল্পনা উড়িয়ে অশোক-ভাষ্যে নিশানায় যাঁরা

অশোক ভট্টাচার্য বলেন, ওসব রটনা করা যাদের কাজ, তারা করুক। আমার লড়াই তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে একইভাবেই থাকবে। মনে রাখতে হবে এখন লড়াই শুধু করোনার বিরুদ্ধে। করোনা পরিস্থিতির জেরেই পুরসভার প্রশাসক পদে বসেছি। পুরবাসীকে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাব।

‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’র সেকাল-একাল

‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’র সেকাল-একাল

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, অশোক ভট্টাচার্য একজন পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ। তিনি বোঝেন কখন কীভাবে সবকিছু হ্যান্ডেল করতে হয়। অশোক ভট্টাচার্য বরাবর নিজের মতো করে রাজনীতি করে এসেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যে আমলেও তিনি নিজের মতো রাজনীতি করতেন। তাই রাজনৈতিক মহলে তিনি উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলে পরিচিত ছিলেন। আর তৃণমূলের আমলেও তিনি প্রবল সবুজ ঝড়েও নিজের দুর্গ অটুট রাখতে সমর্থ হয়েছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+