শুভেন্দুকে 'মীরজাফর' তকমা দিয়ে বকলমে হার স্বীকার করেছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস

শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে রীতিমতো জখম বাঘের মতো হুঙ্কার করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে বারংবার শুভেন্দু অধিকারীকে মীরজাফরকে আখ্যা দিয়েছিলেন সৌগত রায়, কুণাল ঘোষরা। এই পরিস্থিতিতে মীরজাফর শব্দটি বারবার ব্যবহার করে বকলমে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের হার মেনে নিয়েছে।

হার মেনেছে তৃণমূল

হার মেনেছে তৃণমূল

ইতিহাস বলে, মীরজাফরের জন্যেই রাজ্যপাঠ হারিয়েছিলেন সিরাজ-উদ-দৌলা। ব্রিটিশরা এসেছিলেন। তার মানে কি তৃণমূল কংগ্রেস মেনে নিচ্ছে যে তারাও বিজেপির কাছে হেরে যাবে। আর তাই এই বিশ্বাসঘাতক তকমা দেওয়া। শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক হোক আর নাই হোক, বিজেপির জয় যে নিশ্চিত, তা তৃণমূলের কথা থেকে স্পষ্ট হচ্ছে।

 'তোলাবাজ ভাইপো হটাও'

'তোলাবাজ ভাইপো হটাও'

এদিকে এদিন ফের পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে শুভেন্দু অধিকারীর মুখে 'তোলাবাজ ভাইপো'র প্রসঙ্গ। শনিবারের পর মঙ্গলবার আরও একবার 'তোলাবাজ ভাইপো হটানো'র কথা বললেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপিতে আসা পূর্ব মেদিনীপুরের এই ভূমিপুত্র। উল্লেখ্যস বিজেপিতে যোগ দিয়ে শুভেন্দুর এটি প্রথম সভা ছিল।

দলটা কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে

দলটা কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে

এদিন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে এই প্রথমবার সভায় অংশগ্রহণ করেন শুভেন্দু। সেই সভা থেকেই শুভেন্দু বললেন, 'তোলাবাজ ভাইপোর হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে।' তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে সরাসরি আক্রমণ করে শুভেন্দুর বক্তব্য, 'দলটা কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। আত্মসম্মান থাকলে কেউ তৃণমূল কংগ্রেসে থাকতে পারবে না।'

বিজেপির আশ্রয় না পেলে তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই উঠে যেত

বিজেপির আশ্রয় না পেলে তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই উঠে যেত

শুভেন্দুর বক্তব্য, 'বিজেপির আশ্রয় না পেলে তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই উঠে যেত।' আর এই কথা তিনি মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন দলের সেই নেতাদের যাঁরা ইদানীং তাঁকে 'মীরজাফর' বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর সাফ কথা, 'শুভেন্দু বেইমান নয়।' একই সঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারকে হটানোর পিছনে বিজেপিরও ভূমিকা ছিল। বিজেপিও তৃণমূলের পিছনে ছিল। কিন্তু এবার পরিবর্তনের পরিবর্তন দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

শুভেন্দুর স্মৃতিচারণ

শুভেন্দুর স্মৃতিচারণ

কেন তিনি এই কথা বলেছেন, সেই ব্যাখ্যাও তিনি এদিন উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ১৯৯৮ সালে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে ছিলেন। তমলুকে লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে যখন লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন শুভেন্দু, তখন তৃণমূল ও বিজেপির জোট ছিল। সেই কথা মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু জানান, তিনি তখন এনডিএ-র প্রার্থী ছিলেন।

বিজেপিকে জেতানোর আহ্বান

বিজেপিকে জেতানোর আহ্বান

বিজেপিকে জেতানোর আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, তোলাবাজি বন্ধ করা হবে। সোনার বাংলা গড়া হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কিডনি পাচারও বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা বলছেন যে পদের লোভে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এদিন এই সমালোচকদেরও জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু। জানিয়েছেন, তিনি সব পদ ছেড়ে এসেছেন। বিধানসভা ভোটে প্রার্থী না করা হলেও ২০ ঘণ্টা রোজ দলের খাটবেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+