মমতার মনেও ভিড় করেছে আশঙ্কার কালো মেঘ! এ যা শুরু হয়েছে, কী হবে ভবিষ্যৎ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভয় পেয়েছেন। তাঁর মনেও উঁকি দিয়েছে আশঙ্কা। মনটা তাই ভারাক্রান্ত। তাঁর আশঙ্কা- শেষপর্যন্ত সবাই মিলে এক থাকতে পারবে তো এই দেশে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভয় পেয়েছেন। তাঁর মনেও উঁকি দিয়েছে আশঙ্কা। মনটা তাই ভারাক্রান্ত। তাঁর আশঙ্কা- শেষপর্যন্ত সবাই মিলে এক থাকতে পারবে তো এই দেশে। নাকি সব এলোমেলো হয়ে যাবে কী হবে এই দেশটার! নিজের লেখায় তিনি এমনই আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। এবার জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যায় মমতা জানিয়েছেন তাঁর আশঙ্কার কথা।

সবাই আমরা এক সঙ্গে থাকতে পারব তো!
১৪২৬-এর জাগো বাংলা শারদ সংখ্যায় মমতা লিখেছেন কিছু কথা কিছু ব্যাখ্যা শিরোনামাঙ্কিত একটি লেখা। সেই লেখাতেই আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করে তিনি জিজ্ঞাসা করেছেন- সবাই আমরা এক সঙ্গে থাকতে পারব তো! তাঁর মনে এই প্রশ্ন জেগেছে দিল্লির মোদী সরকারের আচরণ দেখে। তিনি আশঙ্কা করেছেন ভারতের মৌমিলক ঐক্যই না ভেঙে খান খান হয়ে যায়।

মানুষের মৌলিক অধিকারের কোনও দাম নেই!
মমতা লিখেছেন- দিল্লিতে এমন একটা সরকারে ক্ষমতায় এসেছে, যে সরকারগণতন্ত্র মানে না, সংবিধান মানে না, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো মানে না। মানুষের মৌলিক অধিকারের কোনও দাম নেই এই সরকারের কাছে। সমস্ত পরম্পরা ভেঙে দেওয়াই এই সরকারের লক্ষ্য। তাই আশঙ্কা হয়।

দেশকে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে!
বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আরও ক্ষোভ উঠে এসেছে মমতার লেখনিতে। মমতা আরও লিখেছেন- দেশকে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে এই সরকার। তাদের লক্ষ্যই হল শুধু বিজেপি থাকবে। সুপার এমার্জেন্সি কায়েম করা হয়েছে। প্রতিবাদ করলেই বিরোধীদের ঠাঁই হচ্ছে জেলে।

এই সরকারের কাজ শুধু বিভাজন ঘটানো
মমতার অভিযোগ, কেন্দ্রের সরকার তথা শাসক দল যদি রাজনীতি করত বলার কিছু থাকত না। এই সরকারের কাজ শুধু বিভাজন ঘটানো। সমাজের সর্বস্তরে এই সরকার বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছে ঝর্ম বা জাতির ভিত্তিতে। ভুলভাল পদক্ষেপ নিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ডুবিয়ে ছাড়ছে আর মানুষের ভবিষ্যৎকে পাঠিয়ে দিচ্ছে ঘোর অন্ধকারে।












Click it and Unblock the Notifications