যুদ্ধজয়ের পর পাহাড়-উন্নয়নে নজর মমতার, জিটিএতে ৫০০ কোটি বরাদ্দ

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পাহাড়-যুদ্ধ শেষ। এবার উন্নয়নের ধ্বজা উড়িয়ে দেওয়ার পালা। সেই লক্ষ্যে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে পাহাড় বৈঠকের পরই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর লাগাল মমতার সরকার। শীঘ্রই পরিকল্পনা মতো জিটিএ-র কাজ শুরু হয়ে যাবে। ফের পাহাড়কে সাজিয়ে তোলা হবে আগের মতো।

    যুদ্ধজয়ের পর পাহাড়-উন্নয়নে নজর মমতার, জিটিএতে ৫০০ কোটি বরাদ্দ

    সাড়ে তিনমাসেরও বেশি সময় ধরে পাহাড়ে ধ্বংসলীলা চলেছে। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তা অবিলম্বে মিটিয়ে আবার নতুন করে পাহাড় গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। জিটিএকে সেই কারণে সক্রিয় করে তোলা হয়েছে। বিনয় তামাংয়ের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    পাহাড়ের উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ করার আর্জি জানিয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন বিনয় তামাং। সেই মোতাবেকই আলোচনা হয়। তারপরই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাহাড় মেরামতের রাস্তা প্রস্তুত করে ফেলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বার্তা দেন, উন্নয়নের প্রশ্নে কোনও বাহানা তিনি শুনবেন না। চটজলদি কাজে লেগে পড়তে হবে। তিনি পাহাড়ে বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বলেছেন অবিলম্বে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করে দিতে।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৮ জুন থেকে পাহাড়ে অচলাবস্থা শুরু হয়েছিল। হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের জেরে অনেক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার একটা পূর্ণাঙ্গ হিসেব আমরা তৈরি করেছি। সেই মোতাবেকই প্রথম দফায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। পুলিশের গাড়ি, সরকারি-বেসরকারি বাস থেকে শুরু করে সরকারি অফিস-আদালত, থানা, বাংলো ক্ষতিগ্রস্ত। সেইসব সংস্কারে অগ্রাধধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ১০৬ দিনের বন্ধের জেরে দোকানপাট, ব্যবসা যেমন দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল, তেমনই দার্জিলিংয়ের পর্যটনও লাটে উঠেছিল। সেসবই স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফের যাতে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ে পা রাখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা সেরে ফেলতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিনয় তামাংকে সেই নির্দেশই দিয়েছেন তিনি।

    English summary
    Mamata Banerjee has allotted rupees 500 crore for the development of the hill

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more