নেত্রী মমতা ঘরে ডেকে কী বললেন শোভন-বৈশাখীকে! তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা
পাক্কা এক বছর পর তাঁদের দেখা। আর এমন দিনে স্নেহের কাননকে কাছে পেয়ে দরকারি পরামর্শ দিলেন শোভনকে। ঘরে ডেকে আলাদা করে কথা বললেন। গুরুত্ব দিলেন বৈশাখীকেও।
পাক্কা এক বছর পর তাঁদের দেখা। আর এমন দিনে স্নেহের কাননকে কাছে পেয়ে দরকারি পরামর্শ দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। ঘরে ডেকে আলাদা করে কথা বললেন। গুরুত্ব দিলেন বৈশাখীকেও। তাতেই জল্পনার পারদ চড়ল হু-হু করে। তবে কি বিজেপির মায়া ত্যাগ করে মমতার কাননে ফিরতে চলেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়! প্রশ্নটা ফিরে আসছে ঘুরে-ফিরে।

শোভন-মমতা মুখোমুখি হতেই
সবাইকে অবাক করে শোভন বৈশাখীকে নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন মমতার বাড়িতে। আর ঢুকেই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন দিদির। বৈশাখীওএ প্রণাম করলেন। দিদিও দিলেন স্নেহের পরশ। খোঁজ খবর নিলেন একে অপরের। প্রায় এক বছর পর যে তাঁদের দেখা।

রসিকতার সুরে যা বললেন মমতা
এদিন মমতা রসিকতাও করতেও ছাড়লেন না শোভনের সঙ্গে। ঠিক আগে যেমন করতেন। শোভনের ভুঁড়ি নিয়ে ঠাট্টা করলেন। বললেন, এই কটিদেন ভুঁড়িটা অনেক বাড়িয়ে ফেলেছিস! শোভন তবে মানতে চাইলেন না। বললেন, না দিদি, ভুঁড়ি বাড়েনি, ভোগাচ্ছে সুগারটা।

‘ভাই' শোভনকে পরামর্শ ‘দিদি' মমতার
তারপরই ভাই শোভনকে পরামর্শ দিলেন মমতা। কী করলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কী করা একেবারেই উচিত নয়। কী খেতে হবে, কী খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সবকিছু পরামর্শ দিলেন। আর মমতার জন্য চকোলেটের প্যাকেট নিয়ে গিয়েছিলেন বৈশাখী। তা দেখে মমতা বলে উঠলেন তোরা কি আমার সুগার করাতে চাইছিস!

তবে কি সত্যিই ফিরছেন শোভন
এরপরই জল্পনার পারদ চড়ে গেল আরও। রাজনৈতিক মহল ব্যাখ্যা দিতে শুরু করল এটা শোভনের ‘ঘরে' ফেরারই সংকেত। আবার বিজেপি ছেড়ে ফিরবেন তৃণমূল কংগ্রেসে। ফিসফাস দিদির বাড়ির অন্দরেই। আর তা আরও বেশি সত্যি হয়ে উঠল দিদির ব্যবহারে। শোভনের প্রতি তিনি আগের মতোই ব্যবহার করলেন।

সত্যিই কি তবে জল্পনা!
ভাইফোঁটার দিন হঠাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আগমন। তারপর গল্প, রসিকতা, পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম থেকে মমতার পরামর্শের ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছে তাঁর বিজেপি ছেড়ে ঘরওয়াপসির।রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সত্যিই যদি তাই হয় তবে রাজ্য বিজেপির কাছে এটা হবে অশনি সংকেত!

যাওয়া-আসার মা্ঝে শোভন
১৪ আগস্ট মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই শোভনকে ও বৈশাখীকে নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। দেবশ্রী রায়কে নিয়ে বিতর্কের শুরু। তারপর শোভনের সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে ডাল-ভাত বিতর্কে সুর পঞ্চমে ওঠে। ক্রমেই দূরে সরে যেতে থাকেন শোভন। বিজেপিতে গিয়ে মুক্ত বাতাস পাননি মমতার স্নেহের কানন। শেষমেশ জল্পনা শুরু হয় তাঁর ঘরওয়াপসি নিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications