উত্তর-পূর্ব ভারতের সমীকরণ বদলে দিতে ‘বন্ধু’ পেলেন মমতা, নতুন অঙ্ক কষা শুরু
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের পর থেকেই উত্তর-পূর্বের সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। অসমের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ তৃণমূলের সাংগঠনিক বিস্তারে নেতৃত্ব দিতে পারেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের পর থেকেই উত্তর-পূর্বের সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। অসমের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ তৃণমূলের সাংগঠনিক বিস্তারে নেতৃত্ব দিতে পারেন। তার আগে প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ কিরিপ চালিহা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

দিল্লি সফরে কিরণ চালিহা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখনই তাঁর সঙ্গে কথা হয় অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে তৃণমূলের বিস্তার নিয়ে। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে অসমে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিষ্ঠিত করতে দলে নেওয়া হতে পারে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদকে।
অসমে কংগ্রেস ক্রমশ পিছু হটেছে বিজেপির কাছে। কংগ্রসকে ভেঙেই বিজেপির উত্থান হয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। আর কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদ কিরিপ চালিহাকে শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম হিসেবেই ধরা হত। তাঁর এই দলত্যাগের জল্পনা সত্যি হলে তা কংগ্রেসের কাছে মস্তবড় ধাক্কা হতে পারে।
কিরিপ চালিহা বর্তমানে কংগ্রেস থেকে একটু দূরে সরে গিয়েছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই তিনি তৃণমূল শিবিরে যোগাযোগ শুরু করেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কিরিপ প্রায় মনস্থির করে ফেলেছেন যে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে আর থাকবেন না। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি তিনি আগ্রহও দেখান সম্প্রতি।
এখনও চূড়ান্ত কোনও ঘোষণার পথে এগোয়নি কেউই। তবে কিরিপ যে তৃণমূলে যোগ দিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তিনি তৃণমূলে যোগদানের বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও, কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে মুখ খুলছেন। তিনি বলেন, অসমের কংগ্রস নেতৃত্ব সোনিয়াজির সঙ্গে যতটা স্বাচ্ছন্দ্য, ততটা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে নন।
তাঁর আরও অভিযোগ কংগ্রেস জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি। সেই কারণেই মোদী বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজনকে দরকার। তিনি বলেন, আমি মমতাজির সঙ্গে দেখা করে সেই কথা জানিয়েছি। বলেছিল বাংলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে আসুন। আপনাকে দরকার দেশের।
তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, আমরা মনে করি ২০২৪ সালে আপনিই পারবেন মোদীকে হারাতে। আপনি জাতীয় রাজনীতিতে আরও সময় দিন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে আমরা আপনাকে সাহায্য করব। মমতাও যে সম্প্রতি দিল্লির দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি বাংলার বাইরে দলের সংগঠন মজবুত করতে জোর দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications