চাপ বাড়ছে মোদী-শাহের! টার্গেট ২০২৪-এর লক্ষ্যে অ-বিজেপি রাজ্যগুলিকে নিয়ে ইউনিয়ন তৈরির ডাক মমতার
এখনও দুবছর বাকি! কিন্তু ২৪ এর লক্ষ্যে ইতিমধ্যে রণভূমিতে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভাইরাল 'এবার চাই বাঙালি প্রশানমন্ত্রী'। শুধু তাই নয়, করোনা সংক্রমণ একটু কমলেই ব্রিগেডে বিশাল বিজয় উ
এখনও দুবছর বাকি! কিন্তু ২৪ এর লক্ষ্যে ইতিমধ্যে রণভূমিতে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভাইরাল 'এবার চাই বাঙালি প্রশানমন্ত্রী'। শুধু তাই নয়, করোনা সংক্রমণ একটু কমলেই ব্রিগেডে বিশাল বিজয় উৎসব করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আর সেখানে সেখানে সমস্ত অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। এছাড়াও বিরোধীরাও থাকবে। যদিও এই প্রস্তুতির আগেই আজ বুধবার নবান্নে কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখমন্ত্রী।
আর সেই বৈঠক শেষে মমতার সাফ জবাব, 'মোদীকে হঠানোই আমার লক্ষ্য।'
এদিন নবান্নে কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন মমতা। সেখানে আগামিদিনে জাতীয় রাজনীতিতে মোদীর বিরুদ্ধে মুখ কে হবে?
সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানান, যেভাবেই হোক মোদী সরকারকে হঠানোই মূল টার্গেট। আর সেজন্যে গোটা দেশের সমস্ত অ-বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিকে নিয়ে একটি ইউনিয়ান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আর সেই লক্ষ্যে একটি প্লাটফর্মও তৈরি করা হবে। একাধিক ইস্যুতে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন মোদী সরকারকে। তিনি বলেন, দেশে অর্থনীতি ধ্বংস করেছে বিজেপি সরকার। শিক্ষা, কৃষি, শিল্প সবেতেই চরম দুর্দশা দেশে।
একটি ইউনিয়ন তৈরি করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করতে হবে রাজ্যগুলিকে। বললেন, ''এক রাজ্যেকে বিজেপি আক্রমণ করলে, বাকি রাজ্যগুলিকে রুখে দাঁড়াতে হবে।''
শুধু তাই নয়, দেশের গনতন্ত্র রক্ষা করতে, দেশের কৃষক, শ্রমিক, যুবদের বাঁচানোর জন্য সবাইকে এক হতে হবে। যারা বিজেপির পুরনো নেতা। তাঁরাও এই কাজে যোগ দিতে পারেন বলে আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
আর এই ভূমিকা দেখে রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, আগামিদিনে দেশে মোদী বিরোধী মুখ হিসেবে আরও উজ্জ্বল হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের মাটি শক্ত করতে ইতিমধ্যে দলকে গুছিয়েছেন মমতা বন্দ্যপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কার্যত তাঁকে সামনে রেখেই জাতীয় রাজনীতিতে সংগঠনকে মজবুত করতে চাইছে শাসকদল।
এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেণ, আমরা দু-একটা বিধায়ক পেতে অন্য রাজ্যে যাব না। সে রাজ্যের ক্ষমতা পেতেই দল কাজ করবে। শুধু তিনিই নয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সংগঠনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যে এবার সংগঠনকে মজবুত করা হবে।
শুধু তাই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও তৃণমূলের জায়গা শক্ত করতে সাংসদরা কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের মহাসচিব। কার্যত পরিষ্কার ২৮ এর দিকে তাকিয়ে এখন থেকে ঝাঁপাতে চলেছে তৃণমূল।
অন্যদিকে কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, কৃষক নেতারা চাইছেন সব বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীকে একত্রিত করে একটি ভারচুয়াল সভার আয়োজন করা হোক। সব রাজ্যকে একত্রিত করে আন্দোলন করা হোক। যা তিনি সমর্থন করেছেন।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সব বিরোধী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে এখান থেকে হয়তো তৈরি হতে পারে ২৪ এর লক্ষ্যে মোদী বিরোধী জট।












Click it and Unblock the Notifications