মমতার বার্তায় 'বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো', মোদী সরব 'ওরে গৃহবাসীর'র সুরে! কোনপথে রবি-রাজনীতি
মমতার বার্তায় 'বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো', মোদী সরব 'ওরে গৃহবাসীর'র সুরে! কোনপথে রবি-রাজনীতি
সৌগত রায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহরা কি রবীন্দ্র নাথের লেখা বই পড়েছেন? এরপর এদিন বিশ্বভারতীর ১০০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে একাধিক প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। এদিকে বিশ্বভারতীয় ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে টুইটে বক্তব্য রাখেন মমতাও।

মমতার টুইট বিশ্বভারতী প্রসঙ্গে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইটে এদিন ছিল, রবীন্দ্রনাথের ' বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারো' । রাজ্যে বহিরাগত ইস্যুতে সরব হওয়ার পরও মমতার টুইটে রবীন্দ্রনাথের এই লাইন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন অনেকেই। তিনি এদিন নিজের টুইটে লেখেন, বিশ্বভারতী রবীন্দ্র শিক্ষার একটি মন্দির। একজন আদর্শ মানুষ গড়ার জায়গা। আমাদের সকলের উচিত তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে ধরে রাখা। যদিও তৃণমূলের , দাবি বিশ্বভারতীর তরফে আমন্ত্রণ পাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর এই টুইট আরও তাৎপর্যের দাবি রাখছে।

মোদীর বক্তব্যে রবীন্দ্র সুর
এদিন বিশ্বভারতীর ১০০ বছর পূর্বি উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই 'হে বিধাতা দাও দাও মোদের গৌরব দাও' এর সুর ধরেন। এরপর বক্তব্য শেষ করেন 'ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোলের সুরে'। মোদী এই গানের মধ্য দিয়ে মনের দ্বার খুনে নতুন ভারতের উন্নয়ের দ্বার খোলার আহ্বান জানান।

৩৫ মিনিটের ভাষণে বাঙালি মন জয়ের টার্গেট!
মোদী এদিন আগাগোড়া তাঁর ৩৫ মিনিটের ভাষণে বাঙালি মনস্তত্ত্বকে যে টার্গেটে রেখেছিলেন তা বলাই বাহুল্য। বাংলার মন জয়ে মোদী বাঙালি একাধিক মণীষীর নাম নিয়ে বক্তব্য রাখেন। ওঠে রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামী শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর প্রসঙ্গ। আর প্রতিটি বার্তায় এদিন মোদী বাংলা উচ্চারণ করে বাঙালি মন জয়ের চেষ্টায় ছিলেন বলে দাবি অনেকের।

একলা চলো রে.. থেকে চিত্ত যেথা ভয়শূন্য়
মোদী এদিন , স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিশ্বভারতীর যোগ নিয়ে বহু বার্তা দেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি নিয়েও তিনি বক্তব্য রাখেন। সেই সূত্র ধরেই 'একলা চলো রে' থেকে 'চিত্ত যেথা ভয়শূন্য' এর বার্তা দেন তিনি। প্রসঙ্গত, বাংলায় রবি রাজনীতি নিয়ে যেভাবে পারদ চড়েছে , তাতে রবীন্দ্রনাথ ইস্যুকে কার্যত ঢাল করে তৃণমূল , বিজেপি দুই দলইউ জোর প্রচারে নেমেছে। সেখানে এদিনের বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠান ফের একবার তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications